এক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তিন ভাইয়ের প্রাণ। কাজের সন্ধানে বিহারের মুঙ্গের থেকে কলকাতা এসেছিলেন এক পরিবারের ৬ সদস্য। তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউন ধসে (Taratala Warehouse Collapse) প্রাণ হারিয়েছেন তিন ভাই। দুর্ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭। এখনও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল, এনডিআরএফ (NDRF) এবং সেনা বাহিনী।

বুধবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে তারাতলার ওই নির্মীয়মাণ বহুতলটি। দুর্ঘটনার দিন, অর্থাৎ বুধবারই ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রথম ভাই ঘি কুমারের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে উদ্ধার করা হয় দ্বিতীয় ভাই মন্নু কুমারকে। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শুক্রবার ঘটনার প্রায় ৫৫ ঘণ্টা পরে উদ্ধার হয় ঘি কুমার ও মন্নু কুমারের আরও এক ভাই শিরচাঁদ কুমারের দেহ। মুখ ও শরীরে জখমের কারণে প্রথমে দেহ শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি, তবে শিরচাঁদের ফোনই চিনিয়ে দেয় তাঁকে। এই পরিবারের বাকি ৩ জন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, তাঁরা বর্তমানে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর বেশ কয়েকজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও সময় বাড়ার সঙ্গে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও স্নিফার ডগের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

–

–

–

–

–
