মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র হচ্ছে যুব সমাজের আন্দোলন। দমন-পীড়ন নীতির শুরু রাজধানীর প্রশাসনের। সিজেপি-সোনমের কর্মসূচিকে ভয় পাচ্ছে কেন্দ্র? বলপ্রয়োগ করে অনশন মঞ্চ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সোনমকে। আন্দোলনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না ককরোচ পার্টির অভিজিতকে। নিট ও প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডের প্রতিবাদে ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের আগেই অস্বস্তিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। সোনমকে সামনে নিয়ে সিজেপি এই আন্দোলন করলে সারাদেশে ছিঃ ছিঃ হত। সেই থেকে বাঁচতে আগেই কোর্টের দোহাই দিয়ে সোনমকে তুলে নিল প্রশাসন। কিন্তু তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার জোগাড়। অনশনে নেমেছেন খোদ সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে। আলাদা আলাদা অনশনে বসেছেন অনেকেই। SFI-এর তরফ থেকে কমরেড আদর্শ এম সাজি ও কমরেড ঐশীরাও। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই জোরদার আন্দোলনের আঁচ।

সোমবারের এই শান্তিপূর্ণ 'সংসদ চলো' আন্দোলন রুখতে দিল্লি পুলিশ এখন পুরোপুরি রণংদেহী মেজাজে। সংসদ চত্বরের নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে প্রশাসন সাফ জানিয়েছে, এই মিছিলের কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আন্দোলনকারীদের আটক করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীরা মাত্র একদিনের অনুমতি নিয়ে যন্তরমন্তরে বসেছিলেন। এছাড়া সোমবারের কর্মসূচির জন্য কোনো লিখিত আবেদনও করা হয়নি। যদিও আয়োজক 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র পালটা অভিযোগ, পুলিশকে আগেই মৌখিকভাবে সব জানানো হয়েছিল। আসলে লিখিত অনুমতি চাইলেও যে প্রশাসন তা দিত না, সেটা বোঝাই যাচ্ছিল। আপাতত যন্তরমন্তরকে কার্যত দুর্গে পরিণত করেছে পুলিশ। মোতায়েন করা হয়েছে র‍্যাফ (RAF) ও আধাসামরিক বাহিনী। ড্রোন আর সিসিটিভি দিয়ে চলছে কড়া নজরদারি।