আত্মঘাতী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় (৩১)। মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাটের (Rampurhat) বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর (Brishti Mukherjee) ঝুলন্ত দেহ। থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
আরও পড়ুন: ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে শেক্সপিয়ার সরণী থানায় হাজিরা অভিষেকের
পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টি (Brishti Mukherjee) বিবাহিতা ছিলেন। তবে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিবাদের জেরে বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি তাঁর বাবার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। একইসঙ্গে তাঁর স্বামীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। তাঁর ১১ বছরের সন্তানও রয়েছে। পরিবারের দাবি, এর আগেও হাত কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বৃষ্টি।
ঠিক কী করণে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বৃষ্টি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশের প্রথমিক অনুমান মানসিক অবসাদের জেরেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
বিগত কয়েকদিন ধরেই ডিপ্রেশনে ছিলেন। ওষুধও খাচ্ছিলেন তিনি। এদিন সকালে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরে বাড়িতেও ফিরে আসেন। এরপর বাড়ির উপরের তলায় চলে যান। তার কিছুক্ষণ পরেই পরিবারের সদস্যরা তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: বাড়ল পেনশন-পুজোর বোনাস, সাংবাদিকদের জন্য একাধিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বোলপুরের (Bolpur) একটি স্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন বৃষ্টি। রাজ্যে যোগ্য-অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ নিয়ে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছিল, সেই সময় স্বেচ্ছায় চাকরিতে ছাড়েন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামারবাড়ি। তাঁর মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায় রামপুরহাটের ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন। তাঁরই মেয়ে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়।
















