২১ জুলাই নতুন করে পথ চলা শুরু হবে তৃণমূলের। ১৯৯৭ সালে যদি নতুন করে পথ চলতে পারি, ২০২৬ সালেও পারব। বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে (Facebook Live) স্পষ্ট বার্তা দিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Leader Mamata Banerjee)। তাঁর প্রত্যয়ী বার্তা, আমাদের নতুন পথ চলায় কে এল, কে এল না. তাতে কিছু যায় আসে না। যারা থাকবে, তারাই আমাদের স্বর্ণখনি। তাদের নিয়েই আগামীতে নতুন করে পথ চলা শুরু হবে। তৃণমূল সুপ্রিমো স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যাঁরা চলে যেতে চান একুশে জুলাইয়ের মধ্যেই চলে যান। 

নেত্রীর স্পষ্ট কথা, যাঁদের যাঁদের যাওয়ার আছে, বিজেপি-র চাপে বা পুলিশের চাপে, মাথানত করার চাপে বা মামলার চাপে, ইডি-সিবিআই-সিআইডি-র (ED-CBI-CID) চাপে বা আইসি-ওসির (IC-OC) চাপে, তাঁদের অনুরোধ করব, ২১ জুলাইয়ের আগে দয়া করে যাঁর যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ে নিন। যাঁরা যাঁরা বাঁচতে চান, বিজেপির কথায় লোটা-কম্বল নিয়ে যেখানে ইচ্ছে যান। আমরা যে দলটি তৈরি করেছি, তাকে কলঙ্কলিপ্ত করবেন না। এ-প্রসঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, আজ যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁরা কিন্তু গোপনে আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। কেউ কেউ ভয় সহ্য করতে পারেন না। কেউ আত্মরক্ষা করতে পারেন, কেউ পারেন না। আমরা মাথা নীচু করে চলি না বলেই ফেস করতে হচ্ছে। যদি ফেস করতে না শিখি, বাংলাকে-দেশকে যদি ভালবাসতে না শিখি, মানুষের রায়কে যদি সম্মান না জানাই, তাহলে আত্মগ্লানিতে ভুগব। যা করেছেন, ভাল করেছেন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আপনাদের পরিবার ভাল থাকুক। 

এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অনেক ছলনা করেছে। নাম-নিশান কোনওটাই নাকি রাখবে না! আপনারা ভাল থাকুন, নিজেদের রক্ষা করুন। দিল্লিটা আগে রক্ষা করুন, তবে তো পারবেন। দিল্লির মদতে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে। মনে রাখুন, যতই জোর করে সাংসদ কিনুক বা বেচুক, আগামী দিনে কিন্তু দিল্লি টলমল হবে। আমরা দেশের সঙ্কট চাই না। কিন্তু অর্থনীতিবিদরাই বলছেন, মানুষ বলছেন। অনেক নাম বদলেছে, সিম্বল বদলেছে। ক্ষমতার জোরে নাম চেঞ্জ করতে পারেন, ভিসন-মিশন শেষ করতে পারবেন না।

এদিন নেত্রী বলেন, আজ একজন সাংসদ, ভাল শিল্পী, আমি তাঁকে সম্মান করি, তিনি বিজেপির কোনও একটা নেতার সঙ্গে মিটিং করে রিজাইন করেছেন তিনি। আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলি, উনি আগেই ইমেল পাঠিয়েছিলেন। থ্যাঙ্কস টু হার। আজ ফিজিক্যালি জমা দিতে গিয়েছেন।