বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজারহাট বিস্ফোরণকাণ্ডে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। মূল অভিযুক্ত মহম্মদ শামিম ওরফে সেলিমকে (Selim) সোদপুর (Sodepur) থেকে গ্রেফতার (Arrest) করে পুলিশ। এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারায়ণপুর থানায় (Narayanpur Police Station) আনা হয়। পাশাপাশি, ঘটনার সঙ্গে যোগ থাকার সন্দেহে এক নাবালকসহ তিন জনকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। ভাড়া বাড়িটির মালিক জুলফিকার আনসারিকেও (Zulfikar Ansari) জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে দক্ষিণ নারায়ণপুরের সুপারিবাগান এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণে বাড়ির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দিন আগেই দুই যুবক ওই ঘরটি ভাড়া নিয়েছিল। এলাকার এক বাসিন্দার বক্তব্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে দুই নাবালক একটি ব্যাগ ঘরে রেখে চলে যায়। এরপরই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিআইডি (CID), রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (State Police Special Task Force) , বম্ব স্কোয়াড (Bomb Squad) এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা (NIA)। বিস্ফোরণস্থল ঘিরে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করেন তাঁরা। এছাড়া দুটি বোমাও উদ্ধার হয়েছে। তবে সেগুলি সক্রিয় কি না, তা ফরেন্সিক পরীক্ষার (Forensic Examination) মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার আগে ও পরে এলাকায় কারা যাতায়াত করেছে, তা জানতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও (CCTV Footage) খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।
















