কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তৃণমূল কংগ্রেসের ৪৪০ কোটি টাকার তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতেই পাল্টা বিবৃতি দিল দল AITC। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লেনদেন আইন মেনেই হয়েছে। অনুদান সংক্রান্ত সব তথ্য রয়েছে আয়কর বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে। তারপরেও ইডির এই পদক্ষেপ যে প্রকৃত অর্থে রাজনৈতিক মদতপুষ্ট তা বলাইবাহুল্য।

তৃণমূলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে জানানো হয়, দলের ফান্ড এবং বিভিন্ন বন্ড নিয়ে অস্বচ্ছতার কোনও জায়গা নেই। নির্বাচনী বন্ডসংক্রান্ত তথ্যও সরকারের কাছে আগে থেকেই রয়েছে। কারণ, এই বন্ডগুলি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইস্যু করেছিল এবং পরে সেই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্টের লেনদেন সংক্রান্ত যে তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেয়া রয়েছে তা ইসিআই-র ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত, সাধারণ মানুষের সহজে তা দেখতে পারেন। আসলে ইডি (ED) যেটা করেছে সেটা সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি তৃণমূলের। যেভাবে তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে নিজেদের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার তা গণতান্ত্রিক দেশে কখনই কাম্য নয়।
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে ইডির পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ধিক্কার জানিয়ে তৃণমূলের স্পষ্ট বক্তব্য, বিরোধী রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করে তদন্তকারী সংস্থাকে ভুল পথে পরিচালিত করা বিজেপির হলমার্কে পরিণত হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা বা পদক্ষেপ গণতন্ত্রের ওপর চরম আঘাত নামিয়ে আনে। এটাই বিজেপির চিরায়ত প্র্যাকটিস।
















