এদিকে আগের সরকারের একাধিক সামাজিক প্রকল্প নিয়ে নিন্দার ঝড় ওদিকে গত এক বছর ধরে বিধবা ভাতা পাচ্ছেন এক ব্যক্তি। এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার বিজেপির এক বুথ সভাপতি (A BJP booth president)। বিধবা ভাতা পাওয়ার কথা স্বামীহারা মহিলাদের অথচ কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ (Mekhliganj, Cooch Behar) ব্লকের জামালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩৪ পানিশালা গ্রামে বিজেপির বুথ সভাপতি বিন্দু বর্মনের (BJP Booth President Bindu Barman) অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে সেই টাকা। তাঁর বয়স ৬১ বছর। জানা গেল তিনি বার্ধক্য ভাতার জন্য ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছিলেন। গত এক বছর ধরে তিনি যা পাচ্ছেন, সেটা নাকি তিনি বার্ধক্য ভাতা ভেবেছিলেন। কিন্তু বুধবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সরকারি নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে জানতে পারেন তিনি ইন্দিরা গান্ধি জাতীয় বিধবা পেনশন প্রকল্পের আওতায় টাকা পাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই একজন পুরুষ কীভাবে বিধবা ভাতা পাচ্ছেন, এই নিয়ে শোরগোল পড়েছে গোটা এলাকায়। 

মেখলিগঞ্জ বিজেপির উত্তরমন্ডল কমিটির সম্পাদক অমিতাভ বর্মন (Amitabh Barman, Secretary of the Mekhliganj BJP Uttar Mandal Committee) এই ঘটনায় জানিয়েছেন ব্লক স্তরে চরম অনিয়ম হয়েছে। এই ভুল সংশোধন করে বার্ধক্য ভাতা চালু করার পদ্ধতি শুরু করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। জামালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গীতা বর্মন (Gita Barman, Pradhan of Jamaldah Gram Panchayat) পদত্যাগ (Resignation) করেছেন তাই তিনি এই বিষয়ে কোনরকম মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট (Executive Assistant) জানিয়েছেন দুয়ারে সরকার শিবিরের মাধ্যমে ফর্ম পূরণের সময় কোনো ভুল থাকলে সেটা তিনি খতিয়ে দেখবেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, একজন পুরুষ কীভাবে বিধবা ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন। এক বছর ধরে কীভাবে সেটা ধরা পড়ল না, আর তিনিও এক বছরে যাচাই করতেও যাননি কখনো? এটি কি নিছকই সরকারি কর্মীদের ভুল, নাকি এর পিছনে সত্যিই কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে, সেটাই এখন চর্চায় বিষয়।