ম্যাকাউটের উপাচার্য অপসারণের বিজ্ঞপ্তি খারিজ আদালতের, ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি বা ম্যাকাউটের (MAKAUT) উপাচার্যকে রাতারাতি অপসারণের সিদ্ধান্ত খারিজ করল হাই কোর্ট।রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে আদালত আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সৈকত মিত্রকে পুণরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে সিঙ্গেল বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে রাজ্য।

আরও পড়ুন:অর্পিতার ২২টি মোবাইল ঘেঁটে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল ইডি! বিপাকে পড়তে চলেছেন পার্থ?

গত ২৯ জুলাই মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি  এর উপচার্যকে রাজ্যের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অপসারণ করা হয়। মেয়াদ শেষের আগেই কেন তাঁকে অপসারণ করা হল, তা জানতে চাওয়া হলে, কোনও উত্তর মেলেনি বলে দাবি সৈকত মিত্রের। এরপরই  রাজ্যের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সৈকত। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কেন অপসারণ? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেন তিনি। এদিন হাই কোর্ট রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে সৈকত মিত্রকে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

গত সোমবার হাই কোর্ট রাজ্যের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির উপর এক সপ্তাহের জন্য স্থগিতাদেশ জারি করে। পুরনো উপাচার্যকে কেন অপসারণ করা হল, তা মঙ্গলবারের মধ্যে জানাতে বলে রাজ্যকে। রাজ্যের তরফে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট, ২০০০-এর উল্লেখ করে জানানো হয় উপাচার্যের ২ বছরের বেশি মেয়াদ থাকে না। সেই নিয়ম মেনে সরানো হয়েছে বলে দাবি রাজ্যের। পালটা সৈকতবাবুর আইনজীবীরা বলেন, এরপর ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট, ২০১৭ এসেছে। যেখানে উপাচার্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।বুধবার সওয়াল জবাব শেষ হলেও রায়দান স্থগিত রাখে আদালত।বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৌশিক চন্দ উপাচার্যের আবেদনকে মান্যতা দেন। খারিজ হয়ে যায় রাজ্যের নোটিস। তবে রাজ্য এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে।রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর দাবি, ম্যাকাউট আইন মেনে ২৬ জুলাইয়ের পর আর উপাচার্য পদে থাকতে পারেন না সৈকত।

 

Previous articleকমনওয়েলথ গেমসে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে অনন্য নজির গড়লেন রেনুকা