Friday, June 5, 2026

শিষ্যাকে ধ*র্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত আশারাম বাপু, আজ সাজা ঘোষণা

Date:

Share post:

নিজের শিষ্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু আশারাম বাপু। ১০ বছর আগে আশারামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছিলেন ওই মহিলা ।সোমবার গুজরাতের নিম্ন আদালত আশারাম বাপুকে দোষী সাব্যস্ত করল। এই নিয়ে আশারাম বাপুর নামে দ্বিতীয়বার একই অভিযোগ উঠল। এর আগে ২০১৮ সালে যোধপুর আদালত, আশারামকে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। বর্তমানে যোধপুরের জেলে রয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:বিমানকর্মীদের থু*তু! অর্ধ্ন*নগ্ন পোশাক পরে অ*শ্লীল আচরণ মহিলার

আশারাম বাপুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, ধর্ষণ, নারী পাচার, ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার আশারামকে ভিডিও কনফারেন্সে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। এই মামলায় আরও ছয় জনের নাম যোগ করা হয়েছিল। আশারামের ছেলে নারায়ণ সাই, স্ত্রী লক্ষ্মী, মেয়ে ভারতী ও ধ্রুববেন। অন্য দুই অভিযুক্ত নির্মলা ও মীরাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
অন্য একটি ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত হয়ে বর্তমানে যোধপুরের এক জেলে বন্দি রয়েছেন আশারাম বাপু। সেই মামলায় ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। তবে অন্য দুটি যৌন হেনস্তার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাও পেয়েছেন স্বঘোষিত এই ধর্মগুরু।


এর মধ্যেই নতুন করে গুজরাতের ঘটনা সামনে আসে। নির্যাতিতার অভিযোগ ছিল, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল গুজরাতের সুরাতের এক আশ্রমে তাঁকে বারংবার ধর্ষণ করেন আশারাম। এমনকী হুমকিও দেয়। সেই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত আশারামকে আজ, মঙ্গলবার সাজা ঘোষণা করবে আমদাবাদের আদালত।

 

Related articles

জৌলুসহীন বেঙ্গল টি২০ লিগের সূচনা, শামিকে নিয়ে আশায় CAB

  শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বেঙ্গল টি২০ লিগ। এবার জৌলুসপূর্ন কোন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে না। কিছুটা নমঃ নমো করেই...

প্রয়াত সাংবাদিক নারায়ণ বসু

শতায়ু হওয়ার মাত্র পাঁচ মাস আগে চলে গেলেন সাংবাদিক নারায়ণ বসু। সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রয়াত হন। মূলত...

তোলাবাজি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ! গ্রেফতার স্বরূপ বিশ্বাস 

স্টুডিও পাড়ায় কলাকুশলীদের থেকে তোলাবাজি, মারধর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ...

বিজেপির উচ্ছেদ অভিযান! ধ্বংস হকারদের জীবন-জীবিকা! রাস্তায় সর্বহারারা 

কলকাতায় মঙ্গলাহাট বা হাতিবাগান, জেলা স্তরে কোচবিহার বা কাকদ্বীপ— ছবিটা মোটের ওপর একই। নয়া বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার...