Wednesday, April 15, 2026

শাহর কাঠপুতলি জ্ঞানেশ কুমার: সিইসি-র ‘ভদ্রলোক’ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলল তৃণমূল

Date:

Share post:

দেশের নির্বাচন কমিশনার পদে যত পদাধিকারীরা এসেছেন তার মধ্যে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর বিরুদ্ধেই একমাত্র সংসদে ইমপিচমেন্ট (impeachment) নোটিশ এসেছে। কার্যত এত বড় অপমানিত হওয়ার পরেও যে জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar) পদত্যাগ করেননি, তাতে তাঁর ভদ্রলোক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলল বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আদতে এত নির্লজ্জ আচরণ করে তিনি বাংলার উপর যে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছেন তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) অঙ্গুলি হেলনে, দাবি তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিকের (Partha Bhowmick)।

অমিত শাহর নির্দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (Chief Election Commissioner) পদকে যেভাবে হাসির খোরাকে পরিণত করেছেন জ্ঞানেশ কুমার তা বর্ণনা করে পার্থ ভৌমিক দাবি করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে ১১ জন জেলা শাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। অন্য চারটি রাজ্যেও নির্বাচন। কোনও জায়গায় এই ব্যবস্থা খুঁজে পাবেন না। বসানো হচ্ছে অমিত শাহর পছন্দের লোকদের। অমিত শাহর নির্দেশ অনুসারে কাঠপুতলির মতো ব্যবহার করছেন ভারতের নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচন কমিশনারের পদের গরিমাকে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও অমিত শাহর (Amit Shah) অঙ্গুলি হেলনে জ্ঞানেশ কুমার সেটিকে একটি হাসির জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন।

যেভাবে বাংলার প্রতি প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছেন জ্ঞানেশ কুমার তাতে তাঁকে ভদ্রলোকের পর্যায়ে ফেলা যায় কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পার্থ। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ৬০ লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপেন্সিতে যে নাম ছিল সেটা নিয়ে কেন আদালতে গেলেন। কেন হিটলারের মনোভাবাপন্ন অমিত শাহর কাঠপুতলিয়া জ্ঞানেশ কুমারের অত্যাচার স্বীকার করে নিলেন না। কেন ভারতের মানুষের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি প্রতীক হয়ে উঠলেন। কেন ভারতের ১৯৩ সাংসদ ওনার বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট (impeachment) আনলেন। তাতে কেউ ভদ্রলোক হলে, চামড়া এত মোটা না হলে তিনি পদত্যাগ করতেন।

আরও পড়ুন : বিজেপি নেত্রীর স্বামীকে বাংলার পর্যবেক্ষক!  ‘শাহি সংবাদ’ কটাক্ষ তৃণমূলের

সুপ্রিম কোর্ট প্রথমবার অনাস্থা প্রকাশ করেছে দেশের নির্বাচন কমিশনের উপর। কমিশনের দায়িত্ব পালন করতে নিয়োগ করা হয়েছে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের। এত অপমানের পরেও আদতে বিজেপির কার্যসিদ্ধির জন্যই যে জ্ঞানেশ কুমার সিইসি পদে রয়ে গিয়েছেন, তা স্পষ্ট করে পার্থ দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনারের উপর আস্থা নেই সুপ্রিম কোর্টে প্রমাণ করে দিয়েছেন। যার উপরে আস্থা নেই, তার পরেও তিনি শুধু অমিত শাহর কাঠপুতলি হিসাবে তিনি বাংলাকে পর্যুদস্ত করার জন্য যা যা কাজ করা দরকার সেটা করে দিচ্ছেন।

Related articles

গণতান্ত্রিক উপায়ে অত্যাচারের বদলা নেবে বাংলা, নববর্ষে সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা মমতার 

পায়ে পায়ে ১৪৩৩! নববর্ষের সকালে ভিডিয়োবার্তায় শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।...

নববর্ষে ভোট প্রচারে উত্তরে মমতা, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে কর্মসূচি অভিষেকের

বাংলার নববর্ষের প্রথম দিনে নির্বাচনী প্রচারে উত্তরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চৈত্র সংক্রান্তিতে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় কালীঘাট...

স্বাগত ১৪৩৩: কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর, বাংলা নববর্ষের সকালে পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

১৪৩২-কে বিদায় জানিয়ে ১৪৩৩ পথ চলা শুরু করল। নতুন বাংলা বছরের সকাল থেকে লক্ষ্মী- গণেশ নিয়ে হালখাতা পুজো...

টার্মিনাল থেকে রান্নাঘর পর্যন্ত: দেশজুড়ে LPG সরবরাহের নেটওয়ার্ক বাড়াচ্ছে HPCL

বাজারে চাহিদা বেশি। তাও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (HPCL) তার এলপিজি সরবরাহ এবং দেশজুড়ে সিলিন্ডারের পৌঁছনো নিশ্চিত করছে। ২০২৬...