Tuesday, May 12, 2026

মোদির লক্ষ্য শুধুই মমতা, তাই সংসদে বিশেষ অধিবেশন! ফাঁস করলেন কপিল সিবল

Date:

Share post:

দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই অধিবেশনে তিন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করানোর মরিয়া প্রচেষ্টা চালালেন। এমনকি মহিলা সংরক্ষণ সংশোধন বিল (Women Reservation bill) ফেল করার পর আবার সেই বিল পেশের দাবিও করলেন তিনি। সবটাই আদতে বাংলার নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) পরাস্ত করার জন্য। এবার সেই দাবি করলেন কংগ্রেস সাংসদ আইনজীবী কপিল সিবল (Kapil Sibal)। তাঁর যুক্তি, যেহেতু সংসদে মহিলা প্রতিনিধিত্বে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি টক্কর দিতে পারবে না, তাই বিশেষ অধিবেশন (special session) ডেকে লড়াইয়ের মাঠে থাকার চেষ্টা বিজেপির।

দেশের পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের মধ্যে বাংলা ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগেই তিন বিল পাস করতে সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিবলের দাবি, এর মূল লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিবলের যুক্তি, এই সময় বিশেষ অধিবেশন (special session) ডাকার পিছনে কোনও কারণ দেখাতে পারেননি নরেন্দ্র মোদি। তাই সহজেই বোঝা যায় তাঁর মূল লক্ষ্য মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তামিলনাড়ুতে বিজেপি জানে তাঁদের করার কিছু নেই। তাই বাংলার নির্বাচনই তাঁদের লক্ষ্য।

বিশেষ অধিবেশন বাংলার ভোটকে সামনে রেখেই ডাকা, সে বিষয়ে সিবলের আরও যুক্তি, নরেন্দ্র মোদি জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন লড়াকু নেত্রী। লোকসভা (Loksabha) এবং রাজ্যসভায় (Rajyasabha) তাঁর দলেরই সবথেকে বেশি মহিলা প্রতিনিধি রয়েছেন। তাই কোনও দ্বিধা নেই এটা বুঝতে বা বলতে যে বিশেষ অধিবেশনের মূল লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাংলার নির্বাচন।

আরও পড়ুন : পরিকল্পিত অসম্মান! নেত্রীকে শাহর অবমাননাকর সম্বোধনে সরব তৃণমূল

যেভাবে মহিলা বিল পাস করতে না পারার পরে জাতীয় সংবাদ মাধ্যম দূরদর্শনে বসে রাজনৈতিক দলগুলিকে টার্গেট করেছেন নরেন্দ্র মোদি, তা নিয়ে নির্বিকার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বারবার বাংলা থেকেই নির্বাচনের সময়ে কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সেই পক্ষপাতিত্বকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর দাবি, যেভাবে মোদি বক্তব্য রেখেছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC Gyanesh Kumar) নিরপেক্ষ হলে তিনি নোটিশ জারি করতেন। তিনি জানতেন নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেবেন। তিনি আগেও আটকাননি। এতেই বোঝা যায় ভারতের প্রতিষ্ঠানগুলি সততা হারিয়েছে।

Related articles

ক্ষমতায় এসেই বিজেপির জুমলা! ঘোষণার আগেই শুরু সরকারি প্রকল্পের প্রচার 

সরকারে এসেই বিজেপির জুমলা রাজনীতি শুরু বাংলায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, শুধু মুখে ঘোষণা করেই কোনও...

ক্ষমতা হাতে পেয়েই অবস্থান বদল! মমতার সামাজিক প্রকল্প চালিয়ে যাবেন শুভেন্দু

ভোটের ময়দানে যা ছিল ‘ডোলের রাজনীতি’, প্রশাসনিক চেয়ারে বসতেই তার নাম হয়ে গেল ‘জনকল্যাণ’। রাজনৈতিক অবস্থানের এই ভোলবদল...

টানা ৯ ঘন্টা জেরা! পুর দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার সুজিত বসু

টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর পুর দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।...

ISL: ছন্দহীন ইস্টবেঙ্গল, ডার্বির আগে চাপ বাড়ল অস্কারের দলের

আইএসএলে(ISL) ইস্টবেঙ্গল (East bengal)বনাম পাঞ্জাব এফসি ম্যাচ ড্র। ডার্বির আগে আটকে গেল লাল হলুদ।।   যুবভারতীতে ৩-৫-২ ছকে দলকে নামান...