ভোট শেষে স্বচ্ছতা রাখতে ক্যামেরার ছবি সংরক্ষণে এক গুচ্ছ নির্দেশিকা

নির্বাচন শেষে ইভিএম সিল করা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক বুথে অভিযোগের তিরে নির্বাচন কমিশন। আবার ওয়েব কাস্টিং পদ্ধতির সুফলও মিলেছে বহু বুথে। প্রথম দফা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগেই ইভিএম সিল (EVM seal) প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন (ECI)। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় দফার (second phase election) ওয়েব কাস্টিংয়ের (web casting) প্রশিক্ষণও শুরু হল।
Sponsored

ভোট-পরবর্তী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কোনও অবস্থাতেই বুথে (polling booth) বসেই ক্যামেরার মাইক্রো এসডি কার্ড (micro SD card) খোলা যাবে না। বরং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ক্যামেরা (camera) খুলে তা সেক্টর অফিসারের (sector officer) তত্ত্বাবধানে হস্তান্তর করতে হবে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভোট মিটে যাওয়ার পর সেক্টর অফিসার সংশ্লিষ্ট বুথে গিয়ে ইভিএম সিল করা-সহ অন্যান্য সমাপ্তির কাজ তদারকি করবেন। সেই সময়েই ক্যামেরা টেকনিশিয়ান উপস্থিত থাকবেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই ক্যামেরা খুলে নেওয়া হবে। তবে ক্যামেরা খুললেও তার ভিতরের মেমরি কার্ড কোনওভাবেই খোলা যাবে না। বুথে (polling booth) ক্যামেরা (camera) সম্পূর্ণভাবে অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পোলিং পার্টি বা বিএলও (BLO) বুথ ছেড়ে যেতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত রয়েছে।
ভোট-পরবর্তী সমস্ত ভিডিও ডেটা সংরক্ষণের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রিসিভিং সেন্টারে অন্তত দু’টি কাউন্টার খোলা থাকবে, যেখানে ক্যামেরা জমা নেওয়া হবে। সেখানে এজেন্সির টেকনিক্যাল কর্মী, Assistant Returning Officer-এর উপস্থিতিতে মাইক্রো এসডি কার্ড খুলবেন এবং তা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের হাতে তুলে দেবেন। এরপর সেই ফুটেজ ডিজিটাল স্টোরেজে সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা রাখা হবে।
আরও পড়ুন : কমিশনের ‘নিয়ম’ উড়ে গেল হাই কোর্টে: ১২ ঘণ্টার বিধিনিষেধ বাইক চালানোয়
অন্যদিকে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে আটটি নির্বাচনী জেলায় শুরু হল ওয়েব কাস্টিং (web casting) প্রক্রিয়ার ট্রায়াল রান। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, তিনটি শিফটে টানা ২৪ ঘণ্টাই চলবে এই মহড়া। এই ট্রায়াল রানের মাধ্যমে বুথভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থাকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিইও দফতরে উপস্থিত রয়েছেন দফতরের আধিকারিকেরা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা, রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট আটটি নির্বাচনী জেলায় নিজেদের অবস্থান থেকে পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তারা। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর থেকেও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই ট্রায়াল রানের (trial run) উপর নজর রাখছেন।
-
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Related Articles

টার্গেট করে বিধানসভায় বলতে দিচ্ছে না, এর নাম গণতন্ত্র! মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ কুণালের
14h ago

আমার নাম কেটেছেন কেন? আখরুজ্জামানকে কুণালের প্রশ্নে ধুন্ধুমার বিধানসভা! টেনে-হিঁচড়ে বের করা হল বেলেঘাটার বিধায়ককে
18h ago

আজ কোথায় কত দাম পেট্রোল-ডিজেলের? দেখে নিন এক নজরে
20h ago

রাস্তা জুড়ে অবৈধ দখলদারি চলবে না, হকারদের সতর্ক করলেন অগ্নিমিত্রা
22h ago

কথা বলতে হলে সরকারকে আসতে হবে যন্তর মন্তরে: CJP
1d ago

পারিবারিক বিবাদের মর্মান্তিক পরিণতি, নিউটাউনে একই পরিবারের মৃত তিন
1d ago
More from শিরোনাম
View All →
ককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনা
1d ago

'প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা' নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
1d ago

সিকিমে নির্মীয়মাণ টানেলে ধস-গ্যাস বিস্ফোরণ! মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
1d ago

ক্যাথেড্রাল রোডমুখী জনস্রোত, মমতার পথেই জনতা
1d ago

ককরোচদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ! জবাব চাইতেই মোদির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের
1d ago
