টানা এক সপ্তাহের ভারি বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের (North Bengal Heavy rainfall) অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। তিস্তা (Tista) আর জলঢাকা (Jaldhaka) নদী একেবারে ফুঁসছে, যার জেরে প্রশাসন ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা (Red Alert) জারি করেছে। গত বুধবার থেকে একটানা ভারী বৃষ্টি চলছে উত্তরজুড়ে। মঙ্গলবার বৃষ্টি কিছুটা থামলেও হাওয়া অফিস জানিয়েছে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সাত দিনের এই বৃষ্টিতে পাহাড়ি নদীর জল বেড়েছে। ক্রমশ বিপর্যস্ত পাহাড় ।

উত্তর সিকিমে টানা বৃষ্টির জেরে কালিম্পংয়ের তিস্তা বাজার আর টোটগাঁও এলাকায় জল ঢুকে পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে পড়েছে। বিপদ এড়াতে তিস্তা রোডে আপাতত গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। ওদিকে ডুয়ার্সের নাগরাকাটায় সুখানী নদীর জল উপচে চারপাশে বন্যা পরিস্থিতি। লুকসানের কালীখোলা নদীর জল সেতুর ওপর দিয়ে বইছে, যা দেখে আতঙ্কে স্থানীয় মানুষজন। শুধু তিস্তা নয়— নেওরা, চেল, ঘিস, তোর্সা, কালজানি আর ডিমা নদীর জলও তরতরিয়ে বাড়ছে। নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সাবধানে থাকার এবং দরকারে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে। আরও পড়ুন: মহানগরীতে দুপুরেই আঁধার নামিয়ে তুমুল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানান হয়েছে, এই বৃষ্টি এখনই থামার লক্ষণ নেই। আগামী কয়েকদিন ডুয়ার্স আর পাহাড়ের জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলতেই থাকবে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার এক বা দুই জায়গায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এছাড়াও, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কোচবিহার জেলার এক বা দুই জায়গায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলার এক বা দুই জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

–

–

–

–

–
