যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি নিয়েও আটকান গেল না ককরোচদের। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সামলাতে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে-কে তুলে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্যেই সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই খবর জানিয়েছেন। সারা শহর জুড়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের চলছে ধস্তাধস্তি। জায়গায় জায়গায় বিক্ষভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করছে পুলিশ। বিক্ষভকারীদের চ্যাং দোলা করেও তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। আন্দোলন সামাল দিতে জল কামান, কাঁদানে গ্যাস ইত্যাদির ব্যবহার করছে দিল্লি পুলিশ। কিন্তু তার মধ্যেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত দিল্লি। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সংসদে পৌঁছেছে 'আরশোলা'দের একাংশ।
আরও পড়ুন: ত্রিপুরার DGP-এর রহস্যমৃত্যু! দেশের মধ্যে বিরল অঘটনের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি কুণালের
২০ জুলাই সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল সোনম সিজেপিরা। তা রুখতে রাজধানি কার্যত রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছে। রবিবারেই দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে 'সংসদ অভিযান'-এ অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছিল। পুলিশ দাবি করেছিল, কোনও রকম লিখিত আবেদন পত্র দেওয়া হয়নি তাই এই অভিযান বেআইনি। সেই অভিযানে যোগ দিতে সারা দেশ থেকে দলে দলে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। সেই দিন অর্থাৎ সারা দিল্লিজুড়ে রবিবার থেকেই জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা।
তবে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানান হয় কেউ তাঁদের থামাতে পারবে না। তাঁরা সেইমত ২০ তারিখ সংসদ অভিযান শুরু করে তাঁরা। সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে শুরু হয় খণ্ডযুদ্ধ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় দিল্লির পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন যেমন রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
















