Site Logo

ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় স্বস্তি! সুপ্রিম কোর্টে মান্যতা রাজ্যের যুক্তিতে

EBBS Desk·
ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় স্বস্তি! সুপ্রিম কোর্টে মান্যতা রাজ্যের যুক্তিতে

এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে চলা দীর্ঘ টানাপড়েনে অবশেষে ইতি টানল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের মঙ্গলবারের এই নির্দেশকে রাজ্যের সাধারণ ভোটারদের জন্য বড় জয় হিসেবেই দেখছে নবান্ন। নথিপত্র গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রক্রিয়ার সময়সীমা— প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের সওয়াল শীর্ষ আদালতে মান্যতা পেয়েছে। এর ফলে ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের ক্ষেত্রে কয়েক লক্ষ মানুষের অনিশ্চয়তা কাটল বলে মনে করা হচ্ছে।

Sponsored

Sranchi In Article

এদিন বিচারপতিদের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচক নিবন্ধন আধিকারিক (ইআরও) বা সহকারী নির্বাচক নিবন্ধন আধিকারিকদের (এইআরও) দফতরে অনলাইন কিংবা সরাসরি হাতে হাতে জমা পড়া সমস্ত নথিই সংশ্লিষ্ট জুডিশিয়াল অফিসারদের বিচার্য বিষয় হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। মাঝপথে ইসিনেট পোর্টালে নথি আপলোডের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যে প্রযুক্তিগত জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা যাতে সাধারণ ভোটারের অধিকার কেড়ে না নিতে পারে, সেই দিকেই কড়া নজর দিয়েছে আদালত। পোর্টালে নথি আপলোড হয়েছে কি না, তার চেয়েও বড় কথা হলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা জমা পড়েছে কি না। এ ক্ষেত্রে ইআরও বা এইআরও-র শংসাপত্রকেই চূড়ান্ত প্রাধান্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নথি সংক্রান্ত জটিলতা কাটাতেও বড় পদক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে থাকা ১২টি নথির পাশাপাশি আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রাহ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা রাজ্যের দাবির সপক্ষে এক বড় জয়। ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ঘণ্ট নিয়েও আদালত নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম নির্বাচনী তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এরপর যে তালিকা বের হবে, তাকেও মূল তালিকার অংশ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত নিশ্চিত করেছে যাতে কোনো যোগ্য নাগরিকের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়।

কাজের চাপ সামলাতে বিচারব্যবস্থার পরিকাঠামো বৃদ্ধির দিকেও নজর দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজদের এই প্রক্রিয়ায় শামিল করার অনুমতি মিলেছে। প্রয়োজনে প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে বিচারক আনার বিষয়টিও বিবেচনাধীন। আইনজ্ঞ মহলের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের ফলে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা অনেকটাই কেটে গেল। এখন দেখার, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশন কীভাবে এই সংশোধিত ও সম্পূরক তালিকা প্রকাশের কাজ শেষ করে।

আরও পড়ুন- প্রকাশিত জেইই মেইন ২০২৬-এর দ্বিতীয় পত্রের ফলাফল, নজর কাড়ল বাংলার পড়ুয়ারা

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from দেশ

View All →