অবশেষে চাপের মুখে নিট প্রশ্ন ফাঁস  নিয়ে আলোচনায় রাজি কেন্দ্রীয় সরকার। একইসঙ্গে সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু (Kiren Rijiju) জানিয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে এতদিন কেন মুখে কুলুপ এঁটেছিল সরকার? নিটের প্রশ্ন ফাঁসের জেরে ছাত্র-ছাত্রীরা আত্মঘাতী হয়েছেন তার কী হবে? 

নিট প্রশ্ন ফাঁস-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করেছে। সেই আন্দোলনকে সমর্থন করে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরাও। নিটের প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার সংসদ অভিযান করে ককরোচরা, যা ঘিরে দিল্লিতে শুরু হয় ধুন্ধুমার। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছেই ধরনায় বসে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। ছিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। তবে কিছু সমস্যের মধ্যেই তাঁদের সেখান থেকে তুলে দেয় এবং আটক করে দিল্লি পুলিশ। 

এই পরিস্থিতিতে বুধবার রিজিজু আলোচনার কথা ঘোষণা করলেন। সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই এই আলোচনা শুরু হতে পারে। রিজুজু বলেন, “আলোচনার সময় বিরোধীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারে। তাদের কেউ বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনার আগেই যদি শর্তের পাহাড় তুলে ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হল – আপনারা আসলে আলোচনা চান না। আমরা খোলা মনেই জানিয়েছে যে, নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত।”

পাশাপাশি নিট-ইউজি-র (NEET-UGC) প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং দিল্লিতে (Delhi) ছাত্র-যুবদের আন্দোলন নিয়ে রাজ্যসভাতেও আলোচনার দাবি উঠল। বুধবার সংসদের উচ্চকক্ষে এই সংক্রান্ত নোটিশ দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ নাদিমুল হক। স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সমস্ত দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই বিতর্ক হবে। তার দিন-ক্ষণ স্থির করতে স্পিকারের কাছে সরকারের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে।