বঙ্গে পালাবদলের রাজনীতির প্রভাব এখন টলি ইন্ডাস্ট্রিতেও। দু’বছর কাজ না পাওয়ার অভিযোগে সরব ‘আমি যখন হেমা মালিনী’র হেয়ার ড্রেসার শ্রাবণী। যদিও তাঁর সব অভিযোগ খণ্ডন করেছেন চলচ্চিত্রটির পরিচালক পারমিতা মুন্সী।

হেয়ার ড্রেসার শ্রাবণী দাবি করেছেন, পারমিতা মুন্সী পরিচালিত ছবি ‘আমি যখন হেমা মালিনী’তে ক্যামেরা ম্যান গিল্ডের সদস্য হওয়ায় তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। দু’বছর কাজ পাননি কোনও কাজ পাননি শ্রাবণী। এছাড়াও তাঁকে নানাভাবে হেনস্থার মুখে পড়তে হয়। কোনো রকম সাহায্য চাইলে তা তিনি পাননি।

যদিও তার সব অভিযোগ খারিজ করেছেন ‘আমি যখন হেমা মালিনী’ ছবির পরিচালক পারমিতা মুন্সী। তাঁর দাবি, হেয়ার ড্রেসার শ্রাবণী যে তথ্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ সত্য নয়। কারণ তাঁর ছবির ক্যামেরাম্যান গিল্ডের সদস্য নয়। এছাড়াও যে সাস্পেনশনের কথা বলা হয়েছিল, সেখানে পারমিতা ও শ্রাবণী-সহ মোট ৯ জন টেকনিশিয়ানকে সাসপেন্ড করা হয়। সাসপেনশন উঠে গেলে পরিচালক পারমিতা নিজেই কল করে কাজে ডাকেন হেয়ার ড্রেসার শ্রাবণীকে। তাঁকে দশ শিফটের কাজ অফার করেন পরিচালক। কিন্তু কাজে আসেননি শ্রাবণী। ফলে তার হাতে কাজ ছিল না দু’বছর তা মিথ্যে। দু-একটি বাংলা ধারাবাহিকেও বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করেছেন শ্রাবণী সে কথাও জানান পারমিতা। আরও পড়ুন: প্রয়াত নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন

পরিচালক জানান, আমরা তখনই কাজ প্রত্যাখ্যান করি যখন আমাদের হাতে সময় থাকে না। আবার অন্যদিকে কাজ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন শ্রাবণী। শ্রাবণী নিজের বক্তব্য স্ববিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন পারমিতা।

–

–

–

–
–
–
