Site Logo

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

EBBS Desk·
SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক দল তুলেছিল। সব প্রক্রিয়ার শেষেও ট্রাইবুনালে প্রাথমিকভাবে যে ২৭ লক্ষের নাম গিয়েছিল, আসলে ট্রাইবুনালে (SIR Tribunal) তার থেকে আরও বেশি বিচারাধীন হওয়ার মতো রহস্যজনক ঘটনার কথাও বিশ্ববাংলা সংবাদ আগে তুলে ধরেছে। এবার উঠে এলো আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভোট দিয়েছিলেন। ভোটের পরই তালিকা (voter list) থেকে নাম বাদ! তাজ্জব ঘটনা মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায়। এসআইআরে (SIR) বৈধতা পেয়েও ভোট-পরবর্তী ট্রাইব্যুনালে ডেকে নাম ডি’লিট (deleted) করে দেওয়া হল।

Sponsored

Sranchi In Article

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন ফরাক্কা (Farakka) বিধানসভার ৫১ নম্বর পার্টের ভোটার তিন ভাই— কামরুল শেখ, বাসির শেখ ও নাজমুল শেখ। এরপরও যে ঝঞ্ঝাটে পড়তে হবে ভাবেননি তাঁরা। বিনা মেঘে বজ্রপাত শেখ-পরিবারে। যার জেরে রাতের ঘুম উড়েছে কামরুল-বাসির-নাজমুলদের। এবার ভোট দেওয়ার পরও ট্রাইব্যুনাল থেকে নোটিশ এসেছে। নোটিশ হাতে ট্রাইব্যুনালে (SIR Tribunal) যেতেই ডি’লিট (deleted) নাম। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ফের ভয় ইন, ভরসা আউট। নতুন করে আশঙ্কা ভোটারদের মনে।

এই ঘটনায় বিস্মিত বিএলও শেখ রিয়াজুলও। ফরাক্কার তিন ভাইয়ের বাবা মুদ্দিন শেখ এবং মা সাবেরা বিবির নাম রয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। সেইমতো ২০২৬-এর তালিকায় নাম ওঠে তিন ভাইয়েরও। আধুয়া বুথে তাঁরা ভোটাধিকারও প্রয়োগ করেন। কিন্তু তাঁদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল ফের ১২ মে। ১৩ মে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়। ৩০০ কিমি দূরে জোকায় নির্ধারিত সময়ের আগে শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছলেও তাঁদের দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়। তারপর জানানো হয় তাঁদের নাম ডি’লিট করা হয়েছে তালিকা থেকে। ট্রাইবুনালে তাঁরা আবেদন না করতেই এসআইআরে নাম উঠেছিল। আবার ভোট ফুরোতেই তা বাদ পড়ল!

প্রশ্ন উঠছে, ভোটার তালিকায় জায়গা পাওয়ার পরও নতুন করে নাম কাটার ঘটনা কেন? সংশ্লিষ্ট বিএলও জানান, এই বিধানসভা এলাকায় হাজার হাজার মানুষের নাম ডি’লিট হয়েছে। তাঁরা আপিল করলেও এখন পর্যন্ত শুনানির নোটিশ পাচ্ছেন না।

কলকাতার জোকায় ১১ নম্বর ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাতিলের কারণ হিসেবে জানান, শেখ-দম্পতির তিন ছেলে— বাসির শেখের জন্ম তারিখ ১৯৮১ সালের ৩ মার্চ, কামরুল শেখের জন্ম ১৯৮১ সালের ১১ নভেম্বর ও নাজবুল শেখের জন্ম তারিখ ১৯৮২ সালের ২০ জুন। তিন ছেলের বয়সের সঠিক তথ্য না মেলায় তাঁদের নাম ডি’লিট করা হয়।

আরও পড়ুন : ভোট লুঠ হয়েছে, গণতান্ত্রিক উপায়ে বদলা নেব: মমতা, তৃণমূল নেতৃত্বকে আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ

রাজ্যের শেষ দফার নির্বাচনের আগেও এমন অসঙ্গতি প্রকাশ্যে এসেছে। যে পরিমাণ নাম ট্রাইবুনালে বিচারাধীন ছিল, ট্রাইবুনাল থেকে তালিকায় ওঠা নামের সংখ্যা ও বাদ পড়া সংখ্যার সঙ্গে তার মিল ছিল না। ট্রাইবুনালের আধিকারিকরা যে পরিমাণ না তালিকায় তুলেছেন, তার থেকে অনেকটা বেশি কিছু নাম আগে থেকে তালিকায় আছে বলে দেখানো হয়েছে। একইভাবে নাম যে পরিমাণ ডিলিট করেছেন ট্রাইবুনালের আধিকারিকরা, তার থেকে বেশি আগে থেকে ডিলিট দেখানো হয়েছিল। সেই অসঙ্গতিকেই কার্যত মান্যতা দিচ্ছে এই ভোটারদের তথ্য, যেখানে ভোট দেওয়ার পর তাঁদের নাম ট্রাইবুনাল থেকে বাদ পড়ছে।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →