দিল্লির টাস্কে জিতলেন অজিত ডোভালই (Ajit Doval)। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর ভারতে আসছেন শি জিনপিং (Xi Jinping)। কারণ ব্রিকস সম্মেলনে যোগদান। সাত বছর পর ভারতে পা রাখছেন শি। আগামী শনিবার নয়াদিল্লিতে দু’দিনের ব্রিক্স সম্মেলন শুরু হচ্ছে। সূত্রের খবর, সম্মেলনের প্রথম দিনেই মোদি এবং জিনপিঙের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: দূষণ রোধে প্লাস্টিক থেকেই গ্যাস তৈরির পরিকল্পনা বিশ্বভারতীর
কী টাস্ক দেওয়া হয়েছিল ডোভালকে?
ডোভালকে টাস্ক দেওয়া হয়েছিল দিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS) শি জিনপিংকে হাজির করাতে হবে। সেই লক্ষ্যে বেজিংয়ে প্রশাসনিক স্তরে দফায় দফায় আলোচনা হয় ডোভালের। জিনপিং যে ভারতে আসছেন, সে আশ্বাস বেজিং থেকেই দিল্লিকে জানানো হয়। পরে নির্ধারিত সূচি মেনে শনিবারই ৪০০-র বেশি প্রতিনিধি-সহ দিল্লি পা রাখছেন চিনের প্রেসিডেন্ট।
শেষ বার ২০১৯-এর অক্টোবরে ভারতে এসেছিলেন জিনপিং। এরপরেই ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) লঙ্ঘনকারী চিনা ফৌজের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারতীয় সেনা। রক্তক্ষয়ী ওই সংগ্রামে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছিলেন। চিন সরকারিভাবে তাদের চার সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করে। যদিও বিভিন্ন সূত্রে দাবি, গালওয়ানে চিনের অন্তত ৩৮ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। ওই সংঘর্ষের পর থেকেই ভারত এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়। তারপর থেকে মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে যায়। কোভিড-এর পর ৬ বছর বন্ধ ছিল ভারত-চিন সীমান্ত বাণিজ্য। সম্প্রতি তা চালু হলেও এর গতি বাড়েনি। এই বৈঠকে সংঘাত পেরিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে জোয়ার আসতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
জিনপিংয়ের এই সফর বাংলাদেশের জন্য একেবারেই সুখকর নয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের ভরসায় টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। পরে সেই পাকিস্তান বিশ্বকাপে যোগ দেয়।
আরও পড়ুন: মোদি-জিনপিং-পুতিনের সঙ্গে এক মঞ্চে শুভেন্দু, ব্রিকসের নৈশভোজে বিশেষ আমন্ত্রণ
এদিকে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman)। ব্রিকসের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশী বাংলাদেশকে 'আউট রিচ' পর্বে তারেককে আমন্ত্রণ জানায় ভারত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দিল্লি সফরে যাচ্ছেন না। পাশাপাশি কোনো প্রতিনিধিও পাঠানো হচ্ছে না।
















