বুধবার সকাল থেকে শহর কলকাতার বিভিন্ন নামিদামি শপিংমলে একযোগে কলকাতা পুলিশ ও দমকল দফতরের অভিযান। অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে দকন্ট্রোলেরতার সাউথ সিটি মল থেকে শুরু করে বিধাননগরের মানি স্কয়ার শপিংমলে পৌঁছে গেলেন আধিকারিকরা। বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি খতিয়ে দেখলেন এমারজেন্সি ফায়ার এক্সিট। তালিকায় বাদ পড়ল না অ্যাক্রপলিস মলও। 

গত এক সপ্তাহ জুড়ে মহানগরের একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ-গেস্ট হাউসের অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পুলিশের পাশাপাশি দমকল আধিকারিকরাও পৌঁছে গেছিলেন। এবার অভিযান শহরের বড় বড় শপিংমলগুলিতে। সামনেই উৎসবের মরশুম। খুব স্বাভাবিকভাবেই কেনাকাটার ভিড় বাড়বে। কোনও অপ্রীতিকর বা দুর্ঘটনা না ঘটে সেই কথা মাথায় রেখে অগ্নি সুরক্ষা বিধি মেনে শপিংমল গুলো চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখলেন পুলিশ আধিকারিকরা। করা হল ফায়ার অডিট।নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে রাজ্য প্রশাসন আরও বেশি করে তৎপর হয়েছে। ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত সুরক্ষাবিধি না মেনে চলায় শহরের ছোট-বড় মোট ৯১৯ হোটেল গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে শহরের মোট ২৯টি শপিং মলে অভিযান চালায় দমকল ও পুলিশ। ঘুরে দেখেন ফুড কোর্ট-সহ মলের বিভিন্ন অংশ। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বাইরে যাওয়ার জন্য সিঁড়ির অবস্থাটি কেমন রয়েছে তাও পরীক্ষা করা হয়।

একদিকে যেমন অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শপিংমলে পৌঁছে গেছে পুলিশও দমকল ঠিক তার পাশাপাশি ভেজাল ওষুধের কারবার ধরতে বুধবার সকালে বড়বাজারে হানা রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল এবং কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকদের।বেদিন মেহতা বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন দোকানে ওষুধ ধরে ধরে পরীক্ষা করা হয়। এমনকী নিষিদ্ধ কোনও ড্রাগ কিংবা জাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখেন শীর্ষ আধিকারিকরা।