Site Logo

জ্বালানি সংকট: মানলেন মোদি, দেশাত্মবোধের নামে লকডাউন পরিস্থিতি ফেরানোর বার্তা!

EBBS Desk·
জ্বালানি সংকট: মানলেন মোদি, দেশাত্মবোধের নামে লকডাউন পরিস্থিতি ফেরানোর বার্তা!

গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট চলাকালীন ভারতের বিজেপি সরকার বারবার এই দেশে জ্বালানির সংকটের কথা অস্বীকার করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। ভারতের সবধরনের জ্বালানি (fuel) ভাণ্ডার যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে বলে আশ্বাস দেওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জ্বালানি সংকটের (fuel crisis) সঙ্গে মোকাবিলায় করোনা পরিস্থিতি মনে করালেন দেশের মানুষকে। শুধুমাত্র জ্বালানি তেল বাঁচানো নয়, খাবারে তেল (cooking oil) বাঁচানো থেকে বিদেশি জিনিস (foreign goods) কেনা বন্ধ করারও পরামর্শ দেশের প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister)।

Sponsored

Sranchi In Article

গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। কোন দেশ থেকে তেল কিনলে ভারতের জ্বালানি সংকটের মোকাবিলা সম্ভব তা নিয়ে এখনও দেশের বিজেপি সরকারের কাছে কোনও নীতি স্পষ্ট নয়। এই পরিস্থিতিতে যে ভারতের জ্বালানিতে টান পড়ছে, স্পষ্ট দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়। তিনি জানান, করোনার (COVID situation) সময় ওয়ার্ক ফ্রম হোম (WFH), অনলাইন মিটিং, ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা এনেছিলাম। এগুলো আমাদের অভ্যাসও হয়ে গিয়েছিল। এখন সময়ের চাহিদা এমন যে সেই ব্যবস্থাগুলি আবার শুরু করা প্রয়োজন। তাহলে সেগুলো দেশের হিতার্থে হবে।

অর্থাৎ যেভাবে লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতে কাজ করতে হত সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে, সেভাবেই জ্বালানির মোকাবিলার স্পষ্ট বার্তা দেশের প্রধানমন্ত্রীর। শুধুমাত্র সেখানেই এবার থেমে থাকেননি নরেন্দ্র মোদি। বিদেশি মুদ্রা খরচ করাতেও রাশ টানার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর। দেশাত্মবোধের নামে বিদেশি মুদ্রা খরচ কমানোর বার্তা দেন তিনি। মোদির কথায়, এখন যে সংকট এসেছে তাতে বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে জোর দিতে হবে। বিশ্বে পেট্রোল ডিজেল এত বেশি দামি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সবার দায়িত্ব, পেট্রোল ডিজেল (fuel) কিনতে যে বিদেশি মুদ্রা (foreign currency) খরচ হয়, এই জ্বালানির খরচ কমিয়ে সেই বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে হবে। দেশভক্তি (patriotism) আমাদের ডাকছে। তাই অন্তত আগামী এক বছর বিদেশে বিয়ে থেকে বিদেশযাত্রার উপর রাশ টানতে হবে।

আদতে গত দেড় বছরে যেভাবে ভারতের বাণিজ্য চুক্তি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে, তাতে বৈদেশিক মুদ্রার আমদানি যে কমেছে, তা স্পষ্ট মোদির কথায়। প্রতিদিন যেভাবে টাকার দামের পতন হচ্ছে, তা বন্ধ করতে ব্যর্থ ভারতের অর্থনীতি থেকে বিদেশনীতি। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি মুদ্রা (foreign currency) খরচে রাশ টানাই একমাত্র পথ বলে বোঝাতে চাইলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রের সরকারের ব্যর্থতাকে ঢাকতে দেশভক্তির নামে বিদেশি জিনিস কেনায় রাশ টানার বার্তা মোদির।

মোদির কথায়, ভারতে অনেক বেড়ানোর জায়গা আছে। সেখানে যান। ভারতে অনেক কিছু করার আছে। বিদেশি মুদ্রা বাঁচানোর যে পথ অবলম্বণ করা প্রয়োজন তা করতে হবে। সোনা কিনতে অনেক বিদেশি মুদ্রা খরচ হয়। একটা সময় ছিল দেশের হিতে মানুষ সোনা দান করতেন। আজ দানের প্রয়োজন নেই। কিন্তু আজ প্রয়োজন হয়েছে – ঘরে যে কোনও অনুষ্ঠান হলেও আমরা সোনা কিনব না।

দেশের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি স্বীকার করেও নিলেন ভারতের বিদেশী আয় কীভাবে কমেছে। তিনি জানান, একটা সময় ছিল যখন ভারত তামার রফতানি করত। কিন্তু এখন এমন পরিস্থিতি হয়ে গিয়েছে যে তামাও (copper) আমাদের আমদানি করতে হয়। দেশে তামার শিল্প বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাতে বিদেশি মুদ্রা খরচ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন : যুদ্ধ থামাতে মরিয়া পুতিন! অবশেষে শান্তি চুক্তির পথে রাশিয়া-ইউক্রেন

বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে দেশীয় জিনিস কেনায় জোর দেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। জুতো, টাকার ব্যাগ থেকে টুথব্রাশ, টুথপিকও দেশে তৈরি করা জিনিস কেনায় জোর দেন তিনি। নতুন করে বিদেশি জিনিস কেনা (foreign goods) বন্ধ করে দেশভক্তির পরিচয় দেওয়ার দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তেলের উৎপাদন বা আমদানি বাড়ানো নিয়ে কোনও নতুন পথ বলতে পারেননি মোদি। শুধুমাত্রই দেশভক্তির নামে দেশীয় জিনিস কিনে বিদেশি বর্জনের দাওয়াই মোদির মুখে।

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →