Site Logo

সবুজ সঙ্কেত নবান্নের! কেন্দ্রেরই হাতে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ ও সীমান্তের সাতটি জাতীয় সড়ক

EBBS Desk·
সবুজ সঙ্কেত নবান্নের! কেন্দ্রেরই হাতে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ ও সীমান্তের সাতটি জাতীয় সড়ক

রাজ্যের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক প্রকল্পের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো সংস্থার হাতে তুলে দিল রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিবের দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্ত দফতরের অধীনে থাকা এই জাতীয় সড়কগুলির হস্তান্তরে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সড়কগুলির সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ দ্রুত গতিতে এগোবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দায়িত্ব পাওয়া সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই) এবং জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা (এনএইচআইডিসিএল)। যে সাতটি জাতীয় সড়কের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল এনএইচ-৩১২। ৩২৯.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কটি জঙ্গিপুর, ওমরপুর, কৃষ্ণনগর, বনগাঁ ও বাসিরহাট হয়ে ঘোজাডাঙা পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়াও বিহার-পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত থেকে গাজোল পর্যন্ত এনএইচ-৩১ এবং বিহার সীমান্ত থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত এনএইচ-৩৩-র দায়িত্বও পাচ্ছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।

অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের একাধিক কৌশলগত ও ভৌগোলিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এনএইচআইডিসিএল-কে। এই তালিকায় রয়েছে সেভক আর্মি ক্যান্টনমেন্ট থেকে করোনেশন ব্রিজ হয়ে কালিম্পং এবং সিকিম সীমান্ত পর্যন্ত নতুন এনএইচ-১০। এর পাশাপাশি হাসিমারা থেকে জয়গাঁ হয়ে ভুটান সীমান্ত পর্যন্ত নতুন এনএইচ-৩১৭এ, বারাডিঘি-ময়নাগুড়ি-চ্যাংরাবান্ধা হয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত নতুন এনএইচ-৭১৭ এবং শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়াং হয়ে দার্জিলিং পর্যন্ত এনএইচ-১১০-এর দেখভালের ভারও যাচ্ছে এই সংস্থার হাতে।

রাজ্য সরকারের দাবি, এই সাতটি জাতীয় সড়ক উত্তরবঙ্গ, ডুয়ার্স, দার্জিলিং পাহাড় এবং সীমান্তবর্তী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও নিশ্ছিদ্র করবে। একই সঙ্গে সিকিম, ভুটান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও আন্তঃরাজ্য সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বাণিজ্য, পর্যটন এবং দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নবান্ন সূত্রে খবর, মূলত অর্থ ও পরিকাঠামোগত কারণে দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা এই প্রকল্পগুলিতে গতি আনতেই শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির হাতে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় প্রায়শই ধস বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবার কেন্দ্রীয় সংস্থার অধীনে যাওয়ায় রাস্তা সম্প্রসারণের পাশাপাশি আধুনিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া সম্ভব হবে। সব মিলিয়ে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় পণ্য পরিবহণ ও পর্যটন শিল্প এক ধাক্কায় অনেকটাই অক্সিজেন পাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

আরও পড়ুন- ‘জেলায় আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ান’, লিগ্যাল সেলের বৈঠকে বার্তা নেত্রী-অভিষেকের 

_

_

Sponsored

Sranchi In Article

_

_

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →