NEET-এর প্রশ্নফাঁস নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার আলোচনায় বসতে চায় কেন্দ্র। বৃহস্পতিবারেও এই ইস্যু নিয়ে রণক্ষেত্রের রূপ নিল সংসদ ভবন। তবে বিরোধী শিবিরের তুমুল হট্টগোলের মধ্যে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানিয়েছেন, NEET-এর প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় কেন্দ্র। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী জানান, এই নিয়ে বিরোধীরা কবে, কতক্ষণ ধরে এবং কী ফরম্যাটে আলোচনা করতে চান—তা তাঁরাই স্থির করুন। কেন্দ্র এতে সম্পূর্ণ তৈরি। তবে এই আলোচনার জন্য বিরোধীরা কোনও পূর্বশর্ত চাপান যাবে না।

যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার সকালেই ঘোষণা করেছেন, নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ন্যায়বিচার দিতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠিত হবে। জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই সরকারের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এরপরেই মোদির উদ্দেশে তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। 
১। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদচ্যুত করতে হবে।
২। ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত ছাত্রছাত্রীদের কাছে সরকারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
৩। ছাত্রছাত্রীদের ওপর আক্রমণ ও হেনস্থায় যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

বৃহস্পতিবারও NEET নিয়ে বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলের দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় লোকসভার অধিবেশন। প্রথমদফায় দুপুর ১২টা এবং পরের দফায় বেলা ২টো পর্যন্ত অধিবেশন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন স্পিকার ওম বিড়লা (Speaker Om Birla)। দ্বিতীয় দফায় অধিবেশন মুলতুবি হওয়ার ঠিক আগে রিজিজু জানান, স্পিকারের সঙ্গে সরকারপক্ষের আলোচনা হয়েছে। বিরোধীদের প্রতি রিজিজু বলেন, "আমরা কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। আপনারা যে দিন, যে সময়ে এবং যতক্ষণ ধরে আলোচনা করতে চান, সরকার তাতেই রাজি। কিন্তু শর্ত জুড়ে দেবেন না। শর্ত বা অজুহাত দেওয়া শুরু করলেই দেশের মানুষ বুঝে যাবে যে আপনারা আসলে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যেতে চাইছেন।"