সাতসকালে হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) বাসভবনে পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিট বিলবোর্ড কাণ্ডের সূত্র ধরেই এদিন প্রাক্তন আইপিএসের কসবার বাড়িতে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশের হানা বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার হুমায়ুনকে থানায় তলব করা হয়েছে। তাঁর নিরাপত্তারক্ষী পুলিশের নোটিশ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। 

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে একের পর এক তৃণমূলের নেতাকে থানায় তলব করেছে পুলিশ। সেই মতো হাজিরাও দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে রাজ্যসভার সাংসদ ও ব্রায়েন, অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বান্বর চট্টোপাধ্যায়রা। তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস থেকে বিলবোর্ড খুলতে গিয়ে পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা অভিযোগের ভিত্তিতে চলছে তদন্ত। সেই মামলাতেই এর আগে দুবার হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়েও নোটিশ ধরানো যায়নি। তাই ছুটির সকালে শেক্সপিয়ার থানার শিষ্য আধিকারিকরা নিজে পৌঁছে যান প্রাক্তন আইপিএসের বাড়িতে। জানা গিয়েছে বুধবার তলব করা হলেও হুমায়ুন নাকি সোমবার দুপুরে যাবেন বলে কথা দিয়েছেন। তিনি জানান, 'আমি দীর্ঘদিন পুলিশে কাজ করেছি তাই নিয়ম ভালো করেই জানি। নিয়মবিরুদ্ধ ভাবে ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড ভাঙতে আসা হয়েছিল। পুলিশকে কেউ ধাক্কা দেয়নি। বরং পুলিশ ধাক্কা দিয়েছে আমাদের বিভিন্ন ভিডিওতে সেই ফুটেজ আছে। মুখে কথা বললেও লেবার গ্যাস কাটার নিয়ে এসেছিল পুলিশ। আমি এটার বিরোধিতা করেছি।'

এর আগে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার পর অভিষেক জানিয়েছিলেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। যদিও এভাবে তৃণমূলকে দমানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরই মাঝে ক্যামাক স্টুটে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে খালি করার যে নির্দেশ জারি করেছিলেন বাড়ির মালিক তাতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট। বিলবোর্ড কাণ্ডে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস।