Site Logo

এসআইআর-আতঙ্কে জোড়া মৃত্যু, কমিশনের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ 

EBBS Desk·
এসআইআর-আতঙ্কে জোড়া মৃত্যু, কমিশনের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ 

রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্কে মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। এবার মুর্শিদাবাদে অতিরিক্ত কাজের চাপে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বিএলও-র। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে নোটিশের আতঙ্কে প্রাণ হারিয়েছেন সত্তরোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে দুই পরিবারই।

Sponsored

Sranchi In Article

মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা মায়া মুখোপাধ্যায় পেশায় বিএলও ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে তাঁর ওপর কাজের অত্যধিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। দিনের পর দিন সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, প্রশাসনের অমানবিক কর্মপদ্ধতির বলি হতে হল মায়াদেবীকে।

অন্য ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে। সেখানকার ৭০ বছর বয়সি বৃদ্ধা আসমা বিবি অবসরকালীন ভাতা পেতেন। অভিযোগ, এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁকে দুবার নোটিশ পাঠানো হয়। নথিতে তাঁর নামের বানানে অসঙ্গতি থাকায় তিনি চরম আতঙ্কে ভুগছিলেন। কমিশনের সংবেদনহীনতা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আসমা বিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁর হিয়ারিং বা শুনানি নেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর ফের তাঁর কাছে নোটিশ পৌঁছালে তিনি আতঙ্ক সামলাতে পারেননি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

একের পর এক মৃত্যুতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মৃতদের পরিজন ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের নথিপত্র সংশোধন বা যাচাইয়ের নামে যে পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, তাতে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে সরকারি কর্মী— উভয়কেই। কমিশনের এই ‘বালখিল্যপনা’ ও ‘অমানবিক’ জেদের কারণেই প্রাণ হারাতে হচ্ছে নিরীহ মানুষদের, এমনটাই দাবি আন্দোলনকারীদের।

আরও পড়ুন - ইডেনে দশ বছর আগে স্মৃতি ফেরানোই লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের, সিএবির ব্যবস্থাপনায় খুশি লালবাজার

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →