Site Logo

আলিপুরে পুড়ে ছাই ৪০০০ EVM! ইচ্ছাকৃত আগুন, দাবি উদ্ধব শিবিরের

EBBS Desk·
আলিপুরে পুড়ে ছাই ৪০০০ EVM! ইচ্ছাকৃত আগুন, দাবি উদ্ধব শিবিরের

আরও স্পষ্ট হল বিজেপি (BJP) ও নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) স্বৈরাচার। আলিপুরের জেলা পরিষদ ভবনে শুধু আগুন লাগানো হয়নি, সত্যকে ছাইয়ে পরিণত করা হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র ছিল, তা স্পষ্ট দমকলের রিপোর্টেই। কলকাতার ওই অফিসে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিবসেনা (উদ্ধব শিবির) সাংসদ সঞ্জয় রাউতও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চক্রান্ত করে হারানো হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। কারণ ওখানে ছিল, ৪০০০ কন্ট্রোল ইউনিট, ৪০০০ ব্যালট ইউনিট ও ৪০০০ ভিভিপ্যাট। মূলত কসবা, যাদবপুর, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মেটিয়াবুরুজ ও সাতগাছিয়া বিধানসভার ভোট-যন্ত্র, সরঞ্জামগুলি ছিল। যে ইভিএমে কারচুপি করে বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে, সেই ইভিএম পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাট করতেই এই আগুন। তৃণমূল কংগ্রেস যে আশঙ্কা করেছিল, সেটাই সত্যি প্রমাণিত হল। এখন প্রশ্ন, ইভিএমই যখন পুড়ে ছাই করে দেওয়া হল, মুছে ফেলা হল রেকর্ড, তখন সেই প্রশ্নের জবাব মিলবে কী করে? জবাব দিতে হবে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকেই। বিজেপির বঙ্গ-জয়ের নেপথ্যে রয়েছে ইভিএম জালিয়াতি আর ভোট চুরি! এই অভিযোগ প্রথম দিন থেকে করে আসছে তৃণমূল। তৃণমূলের সেই আশঙ্কাই স্পষ্ট হল আলিপুরে সরকারি ভবনের আগুনে ৪,০০০ ইভিএম পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায়। প্রমাণ লোপাট করতেই যে এই অন্তর্ঘাত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আরও পড়ুন: জেনে নিন শনিবারের বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম

Sponsored

Sranchi In Article

দমকলের রিপোর্টই বলছে, আলিপুরে অগ্নিকাণ্ডে যে ইভিএমগুলি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, সেগুলি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ১০টি আসনে ব্যবহার করা হয়েছিল। অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা বিভাগও এই ঘটনাকে 'সাধারণ আগুন' বলে মনে করছে না। বরং নাশকতা রয়েছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। এখন দায় এড়াতে দমকলমন্ত্রী নাশকতার গল্প ফাঁদছে। নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূল কংগ্রেস ইভিএম জালিয়াতি ও ভোট চুরির ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সেই কারণে প্রমাণ লোপাট করতেই এই অগ্নিকাণ্ড কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Sponsored

Merlin In Article

বুধবার দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরে জেলা পরিষদ ভবনে আগুন লাগে। ওই বিল্ডিংয়েরই আট ও নয় তলায় সংরক্ষিত ছিল ১০টি বিধানসভা ক্ষেত্রের ইভিএম। আগুন লেগেছিল তৃতীয় তলায়। তারপর চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলাকে প্রভাবিত না করে কীভাবে তা সপ্তম ও অষ্টম তলায় পৌঁছাল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাহলে কি আগুন লাগিয়ে ইভিএম মেশিন পুড়িয়ে ফেলাই ছিল উদ্দেশ্য! বিজেপি যে জোর করে বাংলার ভোটে জয় হাসিল করেছে, তার প্রমাণ লোপাট করতেই এই অন্তর্ঘাতের আগুন লাগানো হয়েছে। এখন তদন্ত সঠিক পথে এগোবে কি? তা নিয়েও থাকছে প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গে শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, "কলকাতার আলিপুর এলাকায় একটি সরকারি ভবনে আগুন লেগেছিল। এই ঘটনায় প্রায় ৪০০০ ইভিএম পুড়ে গেছে। আমি বিশ্বাস করি নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার চক্রান্ত করে ৪০০০ ইভিএম পুড়িয়েছে। অর্থাৎ এখন সব প্রমাণ লোপাট করা হয়ে গিয়েছে। আমি হলফ করে বলতে পারি যে স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন হলে টিএমসির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে হারতেন না।"

Sponsored

Shyam Sundar In Article

-

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →