মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের ঘোষণা হয়েছিল গত ১ জুন। জেলায় জেলায় রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (State Transport Corporation) ডিপোতে ঘটা করে প্রকল্পের সূচনাও হয়। কিন্তু অভিযোগ, এখন স্টপেজে কোনও মহিলা যাত্রী দেখলেই অনেক ক্ষেত্রে সরকারি বাস আর দাঁড়াচ্ছে না। এই অভিযোগে সরব হয়েছেন মহিলা যাত্রীরা (Female Passenger)। কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) লাইভ করে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন, আবার কেউ রাগে বাসের কন্ডাক্টরের (Bus Conductor) সঙ্গেই বচসায় জড়িয়ে পড়ছেন।
দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের বাঁকুড়া ডিপোর এক আধিকারিক জানান, মহিলা যাত্রীদের কাছ থেকে এমন একাধিক অভিযোগ তাঁদের কাছেও এসেছে। বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তাঁর অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীরা ধৈর্য হারিয়ে বাসকর্মীদের উপর চড়াও হচ্ছেন। শুক্রবার (Friday) এক মহিলা যাত্রী বাঁকুড়া ডিপোতে এসে এক বাসের কন্ডাক্টরকে হেনস্থা করেন বলেও অভিযোগ। যদিও পরে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় বিষয়টির মীমাংসা হয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা অনলাইনে করুণাময়ী-বাঁকুড়া রুটের (Karunamoyee-Bankura route) একটি বাসের টিকিট বুক করেছিলেন। শুক্রবার ডানকুনি (Dankuni) থেকে তাঁর বাসে ওঠার কথা ছিল। অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বাসস্টপে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এবং হাত দেখিয়েও বাসটি থামেনি। পরে তিনি একটি বেসরকারি ভলভো বাসে দুর্গাপুর পৌঁছে সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে বাঁকুড়া ডিপোয় যান। কিছুক্ষণ পর বাসটি ডিপোতে পৌঁছতেই তিনি কন্ডাক্টরকে হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি থানায় গড়ালেও শনিবার ওই মহিলা ডিপোতে গিয়ে কন্ডাক্টরের কাছে ক্ষমা চান এবং মুচলেকা দেওয়ার পর বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়।
এর আগেও বড়জোড়া বাসস্টপ থেকে এক যুবতী সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে সরকারি বাস পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, দুর্গাপুর থেকে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরগামী একটি সরকারি বাসে জরুরি কাজে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বারবার হাত দেখানো সত্ত্বেও চালক বড়জোড়া স্টপেজে বাস থামাননি। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে তিনি গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি।
















