কোথায় আবেদন করব জানি না: বাদ নাম! ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি

বাংলায় লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর বাদ পড়েছে। সেই বাদের তালিকায় এবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লা মুনসি (Sahidullah Munshi)। যে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা রাজ্যের ভোটারদের অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) যাচাই করছেন, সেই বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের (judicial officer) হাতেই এবার বাদ পড়লেন প্রাক্তন বিচারপতি (former justice)। ঘটনায় একদিকে যেমন ক্ষুব্ধ তিনি, সেইসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, ট্রাইবুনাল (Tribunal) নিয়ে। তাঁর দাবি, খাতায় কলমে আবেদন করার জায়গা থাকলে আদৌ সেটা নেই।
Sponsored

রাজ্যের এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, যাঁর বেঞ্চে রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়া বিচারাধীন, সেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির নাম ভোটার তালিকায় ভুল এসেছিল। তবে এবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লা মুনসির নামই অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় চলে যায়। এবার সেই অ্যাডজুডিকেশন তালিকার সমাধান হওয়ার পরে দেখা গেল তাঁর নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে।
নাম বাদ পড়ার (deleted) কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে তাঁর নাম পাওয়া যায়নি, অর্থাৎ নট ফাউন্ড। অথচ প্রাক্তন বিচারপতির দাবি, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর তাঁর, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের বড় ছেলের নাম তালিকা না থাকায় তাঁরা যাবতীয় নথি যাচাইয়ের জন্য পেশ করেন। একবার নয়, এন্টালি দফতরে একাধিকবার সেই নথি তাঁরা পেশ করেছেন বলে জানান তিনি।
যদিও বর্তমানে বাংলার ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারপার্সন সহিদুল্লাহ মুনসি জানান, তিনি তাঁর বিচারপতি পদে থাকার কোনও নথি পেশ করেননি। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় থাকা ১৩ নথির অন্যতম পাসপোর্টের নথিও তিনি পেশ করেছিলেন।
এরপরেও অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) যাচাই প্রক্রিয়ার পরে তাঁর নাম নেই (deleted) ভোটার তালিকায়। এরপর কী করবেন তিনি, সেখানেই প্রশ্ন প্রাক্তন বিচারপতির। তাঁর প্রশ্ন, উনিশ সদস্যের যে ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে তা খাতায়-কলমে রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। ফলে কোথায় গিয়ে ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়ার আবেদন করতে হবে, তা এখনও তিনি বুঝতে পারছেন না।
আরও পড়ুন : শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, শুরু ট্রাইবুনাল গঠনের প্রক্রিয়াও
কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লাহ মুনসি, ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিচারপতি পদে ছিলেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে কলকাতার ভোটার। ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল। এরপরেও বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হাতেই বিবেচনাধীন থেকে নাম কিভাবে বাদ পড়ল তা নিয়ে বিস্মিত প্রাক্তন বিচারপতি।
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Related Articles

টার্গেট করে বিধানসভায় বলতে দিচ্ছে না, এর নাম গণতন্ত্র! মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ কুণালের
2h ago

আমার নাম কেটেছেন কেন? আখরুজ্জামানকে কুণালের প্রশ্নে ধুন্ধুমার বিধানসভা! টেনে-হিঁচড়ে বের করা হল বেলেঘাটার বিধায়ককে
6h ago

আজ কোথায় কত দাম পেট্রোল-ডিজেলের? দেখে নিন এক নজরে
8h ago

রাস্তা জুড়ে অবৈধ দখলদারি চলবে না, হকারদের সতর্ক করলেন অগ্নিমিত্রা
9h ago

কথা বলতে হলে সরকারকে আসতে হবে যন্তর মন্তরে: CJP
12h ago

পারিবারিক বিবাদের মর্মান্তিক পরিণতি, নিউটাউনে একই পরিবারের মৃত তিন
1d ago
More from শিরোনাম
View All →
ককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনা
1d ago

'প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা' নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
1d ago

সিকিমে নির্মীয়মাণ টানেলে ধস-গ্যাস বিস্ফোরণ! মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
1d ago

ক্যাথেড্রাল রোডমুখী জনস্রোত, মমতার পথেই জনতা
1d ago

ককরোচদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ! জবাব চাইতেই মোদির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের
1d ago
