Site Logo

তাজপুরে নয়, আদানিকে নিয়ে দাদনপাত্রবাড়ে সমুদ্র বন্দর তৈরির প্রস্তুতি: মুখ্যমন্ত্রী

EBBS Desk·
তাজপুরে নয়, আদানিকে নিয়ে দাদনপাত্রবাড়ে সমুদ্র বন্দর তৈরির প্রস্তুতি: মুখ্যমন্ত্রী

বুধবার আদানি গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার করণ আদানির সঙ্গে সমুদ্র বন্দর নিয়ে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই সমুদ্র বন্দর নিয়ে নতুন আশার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister of West Bengal)। এবার আর তাজপুর নয়, দাদনপাত্রবাড়ে (Dadanpatrabad) তৈরি হবে সেই সমুদ্র বন্দর (deep sea port)। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বন্দর ও জলপথ পরিবহন দফতরের সেক্রেটারি ও দফতরের শীর্ষ আধিকারিক স্তরের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Sponsored

Sranchi In Article

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে তাজপুরে সমুদ্র বন্দর তৈরি নিয়ে জটিলতা জারি ছিল বাংলায়। আদানি গোষ্ঠী সেই প্রকল্প হাতে নিয়েও পিছিয়ে গিয়েছিল। এবার সেই জটিলতা কাটল বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে সরকারি জমির সমস্যায় তাজপুর থেকে সরিয়ে সমুদ্র বন্দরের জন্য দাদনপাত্রবাড়কে নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। তাজপুরে যেহেতু রাজ্য সরকারের জমি নেই, তাই এই সিদ্ধান্ত। সেক্ষেত্রে দাদনপাত্রবাড়ে ১৭০০ একর জমি রাজ্য সরকারের রয়েছে। সেই জমিতেই সমুদ্র বন্দর তৈরি হবে। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সেই বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Sponsored

Merlin In Article

জাহাজ মন্ত্রকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে গতকাল আদানি গ্রুপের এমডি করণ আদানির সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছিল। ওটা থেকে ইতিমধ্যে ওনার বেরিয়ে গিয়েছেন। আমরা আগেই দেখেছি ওটা সম্ভব ছিল না যতক্ষণ না রেল ও জাতীয় সড়কের সঙ্গে যোগাযোগ ও ওয়্যার হাউস তৈরি না হয়। তার জন্য কয়েক হাজার একর জমি সংগ্রহ না হলে সম্ভব ছিল না। সংশ্লিষ্ট দফতর যে সমীক্ষা করেছে তাতে আধিকারিকরাও জানিয়েছেন, ওই জমিতে বন্দর সম্ভবই না। কারণ সেখানে রাজ্য সরকারের কোনও জমিই নেই।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

তবে নতুন উদ্যোগের বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান, তাজপুর থেকে ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রবাড় (Dadanpatrabad)। সেখানে নুনের পুরোনো কারখানা ছিল। সেখানে ১৭০০ একর জমি রাজ্য সরকারের হাতে রয়েছে। আমরা এখন ওটা নিয়ে এগোবো। মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের এনওসি যদি পাওয়া যায়, তবে সেখানেই গভীর সমুদ্র বন্দর হবে। ভারতর সরকারের সঙ্গে যৌথ অর্থ বরাদ্দেও আমরা রাজি আছি। প্রাথমিকভাবে ১৭০০ একর জমিতে হবে। পরবর্তীকালে জমি সংগ্রহ করা হবে।

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

এর পাশাপাশি জমি, সিদ্ধান্ত ও কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের বিষয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় এবার এসেছে গঙ্গাসাগরের উন্নয়নও। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, কপিলমুনি আশ্রম সংলগ্ন সমুদ্রতট সংরক্ষণ প্রকল্পে কেন্দ্রের সম্মতি মিলেছে। গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ে সহযোগিতা করবে কেন্দ্র। তাছাড়াও সাগর, নামখানা, কাকদ্বীপ, খেজুরি, সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, গোসাবা, বাসন্তী, বকখালি-সহ উপকূলীয় অঞ্চলে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রের সহযোগিতায়।

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →