Site Logo

গণনায় কারচুপির চেষ্টা-কমিশনের ‘পক্ষপাতিত্ব’! প্রতিবাদে ফের রাস্তায় 'দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ'

EBBS Desk·
গণনায় কারচুপির চেষ্টা-কমিশনের ‘পক্ষপাতিত্ব’! প্রতিবাদে ফের রাস্তায় 'দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ'

নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিরপেক্ষতা নিয়ে চরম অনাস্থা প্রকাশ করে এবং ভোট গণনায় কারচুপির আশঙ্কা তৈরি করে ফের পথে নামল নাগরিক সংগঠন 'দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ' (Desh Bachao Ganmancha)। শনিবার ও রবিবার কলকাতার জওহরলাল নেহরু রোডের জীবন দীপ মোড়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। শনিবার বিক্ষোভের শামিল হয়ে গণমঞ্চের সদস্য তথা বিশিষ্ট গায়ক সৈকত মিত্র বলেন, "নির্বাচন কমিশন যা করছে তাতে কোনওভাবেই সাধারণ মানুষ তাঁদের উপর আস্থা রাখতে পারে না। যা করছে একটা সম্পূর্ণ বিজেপির হয়ে এক দলীয়ভাবে কাজ করছে। আজ বাঙালির আইকন সত্যজিৎ রায়ের ১০৫তম জন্মদিন। আর আজ বাংলার রায়। ৪ মে হবে বাঙালির রায়।" SIR করে নাম বাদ দিয়ে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি করে ভোট না দিতে দিয়ে এখন তারা নানাভাবে কারচুপি করে জেতার ফন্দি করছে। প্রথম দেখলাম ৩৫ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার রইল না। এ বাংলাতেও বেশ কিছু মির্জাফর, উর্মিচাঁদরা রয়েছেন। তাঁদের যেএত কিসের উল্লাস! কিন্তু সে যাই হোক ৪ মে বাংলার রায় প্রকৃত বাঙালিদের পক্ষেই যাবে। আগে ভোট গণনা কেন্দ্র ছিল ১০০ সেটাকে ধীরে ধীরে কমানো হচ্ছে। অর্থাৎ ভোট গণনাতে যত মন্থর করা যায় সেই চেষ্টাই করছে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে ভোট গণনা কেন্দ্রের মধ্যে একটা কারচুপির গন্ধ আমরা পাচ্ছি। তবে ৪ মে যারা বাংলার পক্ষে রয়েছেন প্রকৃত বাঙালির এই জয় হবে। জিতবে বাঙালিরা জিতবে বাংলার পক্ষের রায়।"

Sponsored

Sranchi In Article

অভিনেত্রী সোমা চক্রবর্তী বলেন, " বিজেপি সাম্প্রদায়িক শব্দটা আমাদের মধ্যে বড় বেশি করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়েছে, অনেক দিন ধরে একটা স্ক্রিপ্ট লেখা চলছে। মূলত একজন তার হেড তার মস্তিষ্কপ্রসূত তার একদল মানুষ আছে যারা ছোট ছোট করে একে ভাগ করছে। গল্প কিভাবে এভাবে টিআরপি কি করে বাড়বে দর্শককে কীভাবে কাছে টানা যাবে। যাঁদের দ্বারা বাংলার সমস্ত সিস্টেমকে ঘেঁটে দেওয়া হচ্ছে। স্ক্রিপ্ট রাইটিং এর যিনি হেড তিনি বড় অসহায় বোধ করছেন কারণ পশ্চিমবঙ্গবাসীদের কাছে কিছু করা যাবে না। কারণ তারা ২৯ তারিখ, ২৩ তারিখ ভোট দিয়ে ফেলেছেন। এর আগে বিভিন্নভাবে তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ তারা করেছেন। কিন্তু বর্তমানে ভয় দেখিয়ে কোনভাবেই আমাদের দমানো যাবে না। আমাদের আশা পশ্চিমবঙ্গবাসীর আশা যদি মহিষাসুরমর্দিনী তিনি মা দুর্গার মত ত্রিশূল হাতে নিয়ে জিতবেন।" আরও পড়ুন: গণনায় নিজেদের নির্দেশ নিজেরাই ভাঙছিল কমিশন: স্পষ্ট নিষেধ সুপ্রিম কোর্টের

সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্ণেন্দু বসু ও রন্তিদেব সেনগুপ্ত এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় এক কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি-সক্রিয়তা—প্রতিটি পদক্ষেপেই কমিশন পক্ষপাতিত্ব করেছে। তাঁদের অভিযোগ, আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়ে রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। ভিনরাজ্যের বিজেপি ঘনিষ্ঠ আমলাদের দিয়ে ভোট পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়াও,স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ফুটেজে বহিরাগতদের আনাগোনা দেখা গেলেও কমিশন নীরব। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরেও স্ট্রং রুমের সামনে বহিরাগতদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেখা গেছে। সে বিষয়েও মুখে কুলুপ এসেছে কমিশন এই নিয়েও অভিযোগ করেন তাঁরা।

মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশের উদাহরণ টেনে গণমঞ্চ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ইভিএম হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভোট চুরির চেষ্টা হতে পারে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, গণনা প্রক্রিয়ায় কোনও প্রকার অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাঁরা আইনি পথে লড়াই করবেন। সাধারণ মানুষকে এই ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ‘দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ’।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →