Site Logo

SIR-এর কোপে মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম

EBBS Desk·
SIR-এর কোপে মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম

নাম বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা মাথায় রেখেই যে এই রাজ্যে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এসআইআরের (SIR) খেলা খেলেছে তা ফের স্পষ্ট। ৩০০ বছর আগে এদেশে যাদের পূর্বপুরুষ প্রজাদের বিচার করতো। অভিযোগ, এখন সেই মুর্শিদাবাদের নবাবের বংশধররা ভারতের নাগরিক কি না তা বিচার করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিল কমিশন! এরপর তাঁরা নিয়ম মেনে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Sponsored

Sranchi In Article

১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তাঁর ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা এখনও মুর্শিদাবাদে ' ছোটে নবাব' নামে পরিচিত। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম আলি মির্জাও বাবার সঙ্গে 'কিল্লা নিজামত' এলাকায় একই বাড়িতে থাকেন। এছাড়াও নবাব পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই এলাকায় স্থায়ীভাবে নবাবি আমল থেকে বাস করে আসছেন। তাঁরাই এখন নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন। অভিযোগ এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় শুনানিতে ডাক পান নবাব পরিবারের প্রায় শতাধিক সদস্যে। শুনানির সময় নিয়ম মেনে কমিশনের বলা যাবতীয় নথি জমা দেন তাঁরা। কিন্তু তারপরেও বেশিরভাগ সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও পড়ুন: জমি দখল মামলায় তলব! ইডি দফতরে হাজিরা দেবাশিস কুমারের

মীরজাফরের ১৬তম বংশধর তথা মুর্শিদাবাদ পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ফাহিম আলি মির্জা বলেন, "আমার বাবা একসময় রাজ্য সরকারের অধীনে নবাবি এস্টেটে চাকরি করতেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা ও আমার নাম ছিল, আমরা ভোটও দিয়েছিলাম। এখন কেন আমাদের নাম বাদ গেল সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা নেই।" লালবাগের নব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২১ নম্বর বুথে যেখানে নবাব পরিবারের সদস্যরা ভোট দেন, সেখানে প্রায় ৮৫০ জনের মধ্যে ২৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছে, যাঁদের বেশিরভাগই নবাব পরিবারের। বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে রয়েছেন ফাহিম, তাঁর বাবা, স্ত্রী, জ্যাঠা মহম্মদ আব্বাস আলী মির্জার দুই মেয়ে ও বড় ছেলে। শুনানিতে ডাক পেয়েছিল ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম আলি মির্জাও। ৯২ বছর বয়সেও নথি নিয়ে লাইনে দাঁড়ান তিনি।

অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে বহু বৈধ ভোটারকে 'বিচারাধীন' তালিকায় রেখে পরে বাদ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নবাব পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার পথ খোলা থাকলেও ততদিনে ভোট প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে, ফলে কার্যত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন তাঁরা।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →