Site Logo

PMKVY-তে ৯৪ শতাংশ অ্যাকাউন্ট ভুয়ো! মোদির প্রশিক্ষণের পর্দাফাঁস CAG রিপোর্টে

EBBS Desk·
PMKVY-তে ৯৪ শতাংশ অ্যাকাউন্ট ভুয়ো! মোদির প্রশিক্ষণের পর্দাফাঁস CAG রিপোর্টে

রাজনীতি আর দল ভাঙাভাঙির খেলায় কার্যত উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে বড়সড়ো প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলায় দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প বন্ধ থাকা তার অন্যতম উদাহরণ। তবে কেন্দ্রের মোদি সরকার যেভাবে একের পর এক দুর্নীতি করেছে তার পর্দাফাঁস হচ্ছে ক্যাগের রিপোর্টে। তার অন্যতম প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা (PMKVY)। ক্যাগ-এর রিপোর্টে (CAG report) দাবি, মোদির এই প্রকল্পের টাকা যে সব অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে তার ৯৪ শতাংশই ভুয়ো অ্যাকাউন্ট (fake account)।

Sponsored

Sranchi In Article

২০২৫ সালে পিএমকেভিওয়াই-এর যে রিপোর্ট ক্যাগ প্রকাশ করেছে তাতে হাজার হাজার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার অনুগামীরা যেভাবে গোটা দেশে স্কিল ডেভেলপমেন্টের (skill development) প্রচার চালান তার পর্দা ফাঁস হয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০২২ সালের এই প্রকল্পের আর্থিক নয়ছয়ের তথ্যে। যে সময়ের মধ্যে পিএমকেভিওয়াই ২.০ (PMKVY 2.0) ও পিএমকেভিওয়াই ৩.০ (PMKVY 3.0) প্রকল্প দুটি চালিয়েছিল মোদি সরকার।

Sponsored

Merlin In Article

ত্যাগের তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের দশ হাজার কোটি টাকা বলা হয়েছে কিন্তু সেই টাকা ঢুকেছে যেসব অ্যাকাউন্টে তার মধ্যে ৯৪.৫ শতাংশ অ্যাকাউন্টটি ভুয়ো। এছাড়াও যে মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন রোগ শিক্ষণ প্রাপ্তরা তার ৯৬ শতাংশ নকল প্রায় ৯৩ শতাংশের ক্ষেত্রে ঠিকানাও নকল বলে প্রকাশ। ক্যাগের রিপোর্টে (CAG report) আদতে প্রায় ৯৩ শতাংশের এর ক্ষেত্রে একই ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে এনরোলমেন্টের জন্য।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

সংখ্যার বিচারেও এই জালিয়াতিটা খুব একটা কম নয়। প্রায় সাত বছর সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পে ৬০.৭ লক্ষ এনরোলমেন্টের হিসাব দেখানো হয়েছে। যে পড়ুয়ারা নবম শ্রেণীর ঊর্ধ্বে। অথচ এর মধ্যে ৬.৮ লক্ষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্তের কোন তথ্যই নেই। আবার ৮.১ লক্ষ তালিকাভুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণের যোগ্যতা মানই পার করতে পারেননি! তা সত্ত্বেও নাকি কেন্দ্রে সরকার তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে স্কিল ডেভেলপমেন্টের।

Sponsored

Camelia In Article

যথারীতি ক্যাগের এই অনুসন্ধানে যে বেনিয়ম দেখা গিয়েছে তাতে যে আর্থিকভাবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ব্যাপক ফায়দা লুটেছে তা নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। আর সেই সন্দেহে সিলমোহর দিয়েছে আরও একটি তথ্য। এই প্রকল্পে দুর্নীতির শীর্ষে রয়েছে ডাবল ইঞ্জিন উত্তরপ্রদেশ। ক্যাগের রিপোর্টের পর ফেঁসে যাওয়া থেকে বাঁচতে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্রের স্কিল ডেভেলপমেন্ট এন্ড এন্টারপ্রেনিওরশিপ মন্ত্রক (Ministry of Skill Development and Entrepreneurship)। তড়িঘড়ি উত্তরপ্রদেশের ৫৯ বেসরকারি প্রশিক্ষণ সংস্থাকে বাতিল করতে হয়। বেনিয়মের তালিকায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানেও একের পর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য। দিল্লিতে বাতিল হয় ২৫টি সংস্থা। মধ্যপ্রদেশে ২৪ সংস্থা বাতিল।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

ক্যাগের রিপোর্টে বিপাকে পড়ে দুর্নীতির দায় বিভিন্ন বেসরকারি চুক্তিভিত্তিক সংস্থার উপর চাপিয়ে খালাস পাওয়ার চেষ্টা মোদি সরকারের। আদতে ভুয়ো অ্যাকাউন্টে এত কোটি টাকা ঢোকার পরবর্তীতে কোনও তদন্ত দেখা যায়নি কেন্দ্রের তরফে। অথবা এই দুর্নীতি নিয়ে কোনও তৎপরতা সম্পর্কে একটি বাক্যও মুখে প্রকাশ করতে দেখা যায়নি সততার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi)। কার্যত ক্যাগের রিপোর্ট ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →