Site Logo

৩ ভারতীয়ের 'খুনে' ক্ষমা চাইল না আমেরিকা! সরব কংগ্রেস, 'বেসুরো' হিরণ

EBBS Desk·
৩ ভারতীয়ের 'খুনে' ক্ষমা চাইল না আমেরিকা! সরব কংগ্রেস, 'বেসুরো' হিরণ
হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের তেল নিয়ে যাওয়ার 'অপরাধে' পালাউ-এর পতাকাধারী জাহাজে বিস্ফোরণ ঘটায় আমেরিকা। তাতে মৃত্য়ু হয়েছে ৩ ভারতীয় নাগরিকের। এই ঘটনায় ভারতের তরফ থেকে প্রতিবাদ হিসাবে শুধুমাত্র মার্কিন দূতাবাসের আধিকারিককে ডেকে নিন্দা জানানো হয়েছে। ভারতের 'এত বড়' পদক্ষেপে যে চুপ করে থাকবে না আমেরিকা সেটা প্রত্যাশিতই ছিল। পাল্টা ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে (S Jaishankar) ফোন করে মার্কিন রাষ্ট্রপতির সেক্রেটারি (US Secretary) মার্কো রুবিও (Marco Rubio) মনে করিয়ে দেন হরমুজে অন্যায় হয়েছে। তার খেসারত দিয়েছে তিন ভারতীয়। ভারতকে আমেরিকা কতটা নিচু চোখে দেখে তা এই ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত হওয়ার পরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিবাদ বিরোধী দল কংগ্রেসের। এরপরেও মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আদৌ উঁচু গলায় কথা বলবেন না, তেমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাজ্যের বিজেপি নেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও (Hiran Chattopadhyay) আমেরিকার এই আচরণের বিরোধিতা করেছেন আশ্চর্যজনকভাবে। শুধুমাত্র মার্কিন ফতোয়া না মানায় হামলা করা হয়েছে পালাউ-এর পতাকাবাহী জাহাজে। সেখানে থাকা ভারতীয় নাবিকরা বারবার সাহায্যের আবেদন করলেও আমেরিকার জাহাজ সেখানে সাহায্য পাঠায়নি। মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয়ের। এরপরেও এই ঘটনায় ভারতকে বন্ধু দাবি করা আমেরিকা এতটুকু দুঃখ প্রকাশ করেনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করে উল্টে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুবিও। জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) যেন সব জাহাজ আমেরিকার নির্দেশ মেনে চলে। তাতেই হরমুজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। কার্যত স্পষ্ট, আমেরিকার ফতোয়া অস্বীকার করলে অশান্তির অর্থ হল হামলা চালানো। রুবিও আরও স্পষ্ট করে জয়শঙ্করকে মনে করিয়ে দেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অবমাননা আর 'বেআইনিভাবে' ইরানের তেল নিয়ে আসার চেষ্টা করা হলে তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। মার্কিন সেক্রেটারির (US Secretary) এই হুঁশিয়ারির পরেই তাতে যে কোনও ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি নেই, তা স্পষ্ট করে দেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তাঁর স্পষ্ট দাবি, ভারতীয়দের খুন করার একদিন পরে কোনও দুঃখপ্রকাশ বা ক্ষমা চাওয়া নেই। উল্টে আমেরিকা ক্রমাগত আদেশ দিয়ে যাচ্ছে। কোনও স্বাধীন দেশ এই ধরনের ভাষা মেনে নেবে না। কিন্তু আমাদের কম্প্রোমাইজড প্রধানমন্ত্রী নীরব। তাঁরা অনুগত ভৃত্যের মতো শোনেন এবং আদেশ পালন করেন। আরও পড়ুন : আজই ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি আমেরিকার! বড় ঘোষণা ট্রাম্পের  আশ্চর্যজনকভাবে এই ঘটনায় আমেরিকার আচরণের প্রতিবাদে সরব বিজেপি নেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। মার্কো রুবিও-র বার্তার বিরোধিতা করে হিরণের দাবি, এই ধরনের বার্তা নিরীহ নাবিকদের প্রাণহানির জন্য কোনও দুঃখপ্রকাশ হতে পারে না। আমেরিকা ভারতকে বন্ধু ও নীতিগত অংশীদার বলে দাবি করে, তাহলে একজন বন্ধু কীভাবে এমন অসংবেদনশীল হতে পারে? সেই সঙ্গে হিরণের প্রশ্ন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্র এলাকায় বেশিরভাগ জাহাজেই ভারতীয় নাবিক বহু সংখ্যায় রয়েছেন। তাহলে কী এরপর থেকে তাঁদের জীবন এভাবেই আশঙ্কার মধ্যে থাকবে? আমাদের দেশের নাগরিকদের জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস চলতে পারে না। - - -

Sponsored

Sranchi In Article

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →