Site Logo

দেশের আকাশেও এবার মেরুজ্যোতি, সৌরঝড়ের প্রভাব ভারতেও

EBBS Desk·
দেশের আকাশেও এবার মেরুজ্যোতি, সৌরঝড়ের প্রভাব ভারতেও

ভারতের আকাশেও এবার মেরুজ্যোতি দেখার অপেক্ষা! সূর্যের বুকে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটার এবার আঁচ পৃথিবীর বুকেও লাগার সম্ভাবনা। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই ভারতের আকাশে মেরুজ্যোতি (Solar Storm) দেখা যাওয়া নিয়ে উৎসাহ এই মুহূর্তে তুঙ্গে। বেশ কিছুদিন ধরেই আতসবাজির মতো সৌরশিখা ধেয়ে আসছিল। চারিদিক চৌম্বকধর্মী গ্যাসের মেঘ থাকলেও সেগুলি পৃথিবীকে ছুঁতে পারেনি। চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের গা ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায় সেই আস্ফালন। বিশেষজ্ঞদের মতে সূর্যের বুকে যে 4461 অ্যাক্টিভ রিজিয়ন রয়েছে, সেখানে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটার পর সেখান থেকে নির্গত সৌরশিখার তীব্রতা ছিল M1.8। তবে চৌম্বকীয় শক্তির বিস্ফোরক নিঃসরণের ফলে সৌরশিখার সৃষ্টি হলেও এবারের সৌরশিখা একেবারেই আলাদা।

Sponsored

Sranchi In Article

জানা গিয়েছে, অত্যন্ত ঘন, অতি চুম্বকীয় এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন মূল যে সৌরশিখাটি ছিটকে এসেছে সেটি সরাসরি পৃথিবীর দিকে সেকেন্ডে ১৪০০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে। সোমবার সেটি পৃথিবীর গায়ে এসে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকার মহাকাশ আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা SWPC এই শক্তিশালী, ভূচৌম্বকীয় শক্তিশালী সৌরঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। এই ভূচৌম্বকীয় ঝড়ের প্রকোপে পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে কিছুটা বেসামাল হতে পারে। সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে NASA-র অন্দরেও। আরও পড়ুন: ইডির গ্রেফতারি নিয়ে চ্যালেঞ্জ সুজিত বসুর! ধাক্কা হাইকোর্টে

Sponsored

Merlin In Article

বৈজ্ঞানিকদের মতে, সূর্যের যে 4461 অ্যাক্টিভ রিজিয়নে বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেটির চৌম্বকীয় ক্ষেত্ররেখাগুলির আকার ছিল ইংরেজির S-এর মত। এই শক্তি অনেক বেশি আগ্রাসী। এবারের সৌরশিখাটির শনিবার ভারতীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ১টা বেজে ৪০ মিনিটে এক্স রে ফ্লেয়ার তীব্র হয়ে ওঠে। এই এক্স রে ফ্লেয়ার আসলে এক্স রে বিকিরণ যে সৌর বিস্ফোরণের সময় নির্গত হয়, যা পৃথিবীতে রেডিও কমিউনিকেশনেও সমস্যা তৈরী করে। শুধু তাই নয়, এই বিস্ফোরণের ফলে প্রতি সেকেন্ডে মহাকাশে যে ১ বিলিয়ন টন ওজনের চৌম্বকীয় প্লাজমা ছড়িয়ে দিয়েছে, যার গতিবেগ সেকেন্ডে ১৪০০ কিলোমিটার, সেই মেঘই পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে। তবে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র পৃথিবীকে ঢেকে রেখেছে বলে এই মেঘ পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে না। তীব্রতার নিরিখে সৌরঝড়ের মাপকাঠি রয়েছে G1 থেকে G5-এর মধ্যে। G1-এর অর্থ সামান্য, G5 হলে গুরুতর। জানা, যাচ্ছে, G5 তীব্রতার সৌরঝড় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের মে মাসে এমনই এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবারের সৌরঝড়টিকে শক্তিশালী G3-র গোত্রে রাখা হয়েছে। উত্তর ভারতের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর আমেরিকা, মধ্য ইউরোপ, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের কিছু অঞ্চল থেকে রাতের আকাশে সবুজ, বেগুনি, লাল রংয়ের আলো দেখা যেতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে সোমবার রাতে আকাশ কতটা কালো থাকে, তার উপর। দূষণমুক্ত জায়গা যেমন ভারতে লাদাখের হানলে ডার্ক স্কাই রিজার্ভ, প্যাংগং হ্রদ, নুব্রা ভ্যালি, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং,কার্গিলের দ্রাস থেকেও এই দৃশ্য ভাল দেখা যেতে পারে।

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →