Site Logo

বদলে গেল ফেসবুক প্রোফাইল! রাতারাতি রাজ্যের ‘সবথেকে বড় দলে’ যোগদানের হিড়িক

EBBS Desk·
বদলে গেল ফেসবুক প্রোফাইল! রাতারাতি রাজ্যের ‘সবথেকে বড় দলে’ যোগদানের হিড়িক

লোগো এক। দলের নাম এক। রাতারাতি নতুন ফেসবুক প্রোফাইল খুলে গেল এনসিপিআই-এর। আর সেখানেই পুরোনো সব রেকর্ড প্রায় মুছে নতুন করে সাজানো হল প্রোফাইল। নতুন সদস্যদের সাদরে অভ্যর্থনা জানানো হল সারাদিন ধরে। পুরোনো প্রোফাইলে (Facebook profile) যেখনে রবিবার পর্যন্ত দুশোটাও ফলোয়ার ছিল না, সেখানে সোমবারের নতুন প্রোফাইলে ফলোয়ার (Follower) ছুঁলো ৪ হাজার। রাতারাতি নতুন আত্মপ্রকাশ করা দলের ফলোয়ার বাড়ল। ফলোয়ারের জোরেই কী নিজেদের বাংলার সবথেকে বড় দল বলার দাবি জানালো ন্যাশানালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)? আদতে অঙ্কের হিসাবেও যে তারা রাতারাতি বাংলার বড় দল হওয়ার পথে, তাও বুঝিয়ে দিলো তাদের প্রোফাইল।

Sponsored

Sranchi In Article

হাওড়ার সাঁকরাইলে যে ন্যাশানালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বলে একটি রাজনৈতিক দল মাথাচাড়া দিয়েছিল ২০২৩ সালে, তার খোঁজ হাওড়ার কত মানুষ রাখতেন রবিবারের আগে পর্যন্ত, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। রাতারাতি সেই দলটিতেই এখন রাজ্যে সবথেকে বেশি সাংসদ। অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর এনসিপিআই-এর সাংসদ সংখ্যা ২০। বিজেপির সাংসদ ১২, তৃণমূলের ৮ ও কংগ্রেসের ১ জন সাংসদ। আর তার জোরেই এনসিপিআই-এর দাবি, তারা রাজ্যের সবথেকে বড় দল।

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

শুধুমাত্র রাজ্যই নয়, দেশের অন্যতম বড় দল হিসাবে রাতারাতি উঠে এলো এনসিপিআই। বিজেপি ছাড়া কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি ও ডিএমকে-র (DMK) পরে সব থেকে বেশি সাংসদ এখন তাদের। অর্থাৎ দেশের চতুর্থ বৃহৎ দল। এমনকি বিজেপির এনডিএ (NDA) জোটে সবথেকে বেশি সাংসদ এখন তাদের হাতে। তৃণমূল সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যত না ক্ষতি হল, চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu) বা নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) তার থেকেও বেশি হতে পারে, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলে। এখনই এনসিপিআই থেকে মন্ত্রিত্ব নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।

Sponsored

Camelia In Article

যদিও এত কিছুর পরেও এই দলটি নিয়ে সংশয় এখনও কাটছে না। দলের পুরোনো প্রোফাইলে যাঁদের প্রেসিডেন্ট বা সেক্রেটারি দেখানো হয়েছে তাঁরাই অস্বীকার করছেন তৃণমূল সাংসদদের দলে অন্তর্ভুক্তির কথা। পুরোনো প্রোফাইলে সভাপতি দেখানো শিউলি কুণ্ডু দাবি করছেন তিনি আর সভাপতি নেই। এমনকি নিজেকে সম্পাদক দাবি করা শান্তনু দে দাবি করছেন তিনি তৃণমূল সাংসদের যোগদানের কথা জানতেন না।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

আবার প্রাক্তন সভাপতি শিউলির দাবি, শান্তনু দে আদৌ দলের প্রতিষ্ঠাতা বা সম্পাদক নন। তাঁকে শুধুই ত্রিপুরার ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কার্যত দলের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন থাকলেও তার সাংসদ সংখ্যা ও তাতে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে পুরোনো সাংসদ আবু তাহের খানের মতো নেতাদের যুক্ত হওয়ার ঘটনায় নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →