Site Logo

ধান কেনায় রেকর্ড হলেও চাল-চিন্তায় খাদ্য দফতর

EBBS Desk·
ধান কেনায় রেকর্ড হলেও চাল-চিন্তায় খাদ্য দফতর

ভোট চলাকালীনও চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার কাজ জোরকদমে চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য। চলতি খরিফ মরশুমে সরকারি উদ্যোগে ইতিমধ্যেই ৪৮ লক্ষ টনের বেশি ধান কেনা হয়েছে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করে উপকৃত হয়েছেন ২৭ লক্ষেরও বেশি কৃষক। তবে ধান কেনার সাফল্যের পাশাপাশি সামনে এসেছে অন্য সমস্যা। ইতিমধ্যেই খাদ্য দফতরের এক পর্যালোচনামূলক বৈঠকে দেখা গিয়েছে, কেনা ধানের তুলনায় চাল সরবরাহের হার অনেকটাই কম। হিসেব অনুযায়ী, ৪৮ লক্ষ টন ধান থেকে প্রায় ৩২ লক্ষ টন চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মজুত হয়েছে মাত্র ১৫.২০ লক্ষ টন।

Sponsored

Sranchi In Article

জেলা ভিত্তিক রিপোর্টে স্পষ্ট, একাধিক জেলায় চাল সরবরাহের গতি আশানুরূপ নয়। উত্তর দিনাজপুরে মাত্র ৩৫ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৩৬ শতাংশ, মালদহে ৪২ শতাংশ, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪৩ শতাংশ, কোচবিহারে ৪৪ শতাংশ এবং বীরভূমে ৪৫ শতাংশ চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এই জেলাগুলিতে বিশেষ নজর দিতে নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদফতর। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার পর তা নির্দিষ্ট রাইস মিলে পাঠানো হয়। সেখানে চাল উৎপাদনের পর সরকারি গুদামে জমা পড়ে। সেই চালই পরে রেশন ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। চালের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারে জমা রাখা হয়, যেখান থেকে জাতীয় স্তরের রেশন প্রকল্পে সরবরাহ করা হয়। আরও পড়ুন: হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় কি: মোথাবাড়ি হামলায় NIA-কে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

খাদ্য দফতর নির্দেশ দিয়েছে, সেন্ট্রাল পুলের জন্য নির্ধারিত চাল ৩০ জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ জমা করতে হবে। এই ক্ষেত্রে হুগলি, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে। ফলে ওই জেলাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে স্টেট পুলের জন্য চাল সরবরাহেও জোর দেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে রাজ্যের নিজস্ব রেশন প্রকল্প চালানো হয়। রাইস মিল থেকে চাল সরবরাহে দেরি হওয়ার কথা মেনে নিয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক। তাঁর দাবি, ফোর্টিফায়েড রাইস কার্নেল সরবরাহে সমস্যার জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সাধারণ চালের সঙ্গে এই উপাদান মিশিয়ে পুষ্টিকর চাল তৈরি করা হয়। কেন্দ্রীয় স্তরের কিছু নীতিগত জটিলতার কারণে এই উপাদান সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি মিল মালিকদের।

যদিও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাল সরবরাহ না হলে রাইস মিল মালিকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের বিধান রয়েছে। প্রয়োজনে ব্যাংক গ্যারান্টি বাজেয়াপ্ত করা-সহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। খাদ্য দফতর সূত্রে খবর, আগামী দিনে ধান কেনার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। চলতি মরশুমে মোট ৬৭ লক্ষ টন ধান কেনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে রাইস মিলগুলিতে চাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →