শনিবার সকালে সোনম ওয়াংচুককে (Sonam Wangchuk) জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। যন্তর মন্তরে প্রতিবাদী পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জ করার অভিযোগ উঠেছে। এরপরই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিলেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে (Abhijit Deepke)। সমাজমাধ্যমে জানিয়ে দিলেন, আজ থেকেই তিনি আমরণ অনশন শুরু করতে চলেছেন। অর্থাৎ ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গেলেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলনের তীব্রতা এতটুকু কমছে না।
শনিবার সকালে সিজেপির (CJP) অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে অভিজিতের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, "অভিজিৎ দিপকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশনে বসছেন। তবে এর জেরে আন্দোলন থমকে যাবে না। আগামী ২০ জুলাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের 'চলো সংসদ মার্চ' কর্মসূচি যথানিয়মে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।" অভিজিৎ নিজেও তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে পোস্ট করেছেন। এদিন সকাল পৌনে আটটা নাগাদ আচমকা দিল্লি পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যায়। ওয়াংচুকের অনশন ভাঙাতে তাঁকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই প্রতিবাদ করেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। এরপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত হন সিজিপি প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই সোনমকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন, "আমি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে রয়েছি, যেখানে সোনমকে ভর্তি করা হয়েছে। আমার, তাঁর পরিবারের এবং গত ২০ দিন ধরে তাঁর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণকারী চিকিৎসকদের সম্মতি ছাড়া ওরালি বা ইঞ্জেকশন কিংবা স্যালাইনের মাধ্যমে তাঁকে যেন কোনও কিছু না দেওয়া হয়।"
নিট কেলেঙ্কারির (NEET Scam) পর ককরোচ জনতা পার্টির মাধ্যমে জেন জির প্রতিবাদ শক্তিশালী করতে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সোনম। এবার পরিবেশকর্মীকে জোর করে সরিয়ে দিতেই আন্দোলনের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি আরও জোরদার করার বার্তা সিজেপির।
















