আন্তর্জাতিক দাবা দিবস উদযাপনের মঞ্চ থেকেই বাংলার ক্রীড়ামহলের জন্য এল বড় সুখবর। এই প্রথম রাজ্যে আয়োজিত হতে চলেছে চেস অলিম্পিয়াড। আন্তর্জাতিক চেস দিবস উপলক্ষ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে আয়োজিত একদিবসীয় র‍্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতার আসর থেকে এই ঘোষণা করেন ফিডে প্রশিক্ষক তথা বেঙ্গল চেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অতনু লাহিড়ী। বেঙ্গল চেস অ্যাসোসিয়েশন এবং রাজ্য বিজেপি স্পোর্টস সেলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মেগা প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ১৫টি জেলা থেকে প্রায় ৪০০ জন দাবাড়ু অংশ নিয়েছিল। 

দাবা নিয়ামক সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই এই চেস অলিম্পিয়াডের আসর বসবে। বিশেষ করে সমাজের পিছিয়ে পড়া স্তরের ছেলেমেয়েদের মূল স্রোতে আনতেই এই উদ্যোগ। অলিম্পিয়াডের প্রথম পর্বে মূলত পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এ দিনের অনূর্ধ্ব ৭, ৯, ১১, ১৩ এবং ১৫ বছর বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরির এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছেলে ও মেয়েদের হাতে ট্রফি ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। 

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শ্রম দফতর ও শিল্প দফতরের মন্ত্রীরা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী প্রণব বর্ধন, বিজেপি স্পোর্টস সেলের প্রধান দীপঙ্কর মোদক এবং মার্লিন গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকেত মোহতা। প্রতিযোগিতার প্রধান পৃষ্ঠপোষক সাকেত মোহতা জানান, শিশুদের সর্বাঙ্গীন বিকাশ ঘটায় এমন সমস্ত খেলাধুলার পাশে মার্লিন গ্রুপ সব সময় থাকবে। আন্তর্জাতিক দাবা দিবসে এমন একটি সফল প্রতিযোগিতার হাত ধরে রাজ্যে অলিম্পিয়াডের সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়ে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আগামিকাল থেকেই এই মেগা ইভেন্টের মূল প্রস্তুতি আরও গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।