Site Logo

বেআইনি মদের কারবারে বাজেয়াপ্ত গাড়ি নিলামে বিপুল আয়, কোষাগার ভরছে আবগারি দফতরের 

EBBS Desk·
বেআইনি মদের কারবারে বাজেয়াপ্ত গাড়ি নিলামে বিপুল আয়, কোষাগার ভরছে আবগারি দফতরের 

বেআইনি মদের কারবারে ব্যবহৃত বাজেয়াপ্ত গাড়িগুলিকে দ্রুত নিলামে তুলে রাজ্যের আয় বাড়ানোর পথে হাঁটল আবগারি দফতর। সংশোধিত আবগারি আইন কার্যকর হওয়ার পর গত মাত্র দু’মাসেই রাজ্য কোষাগারে এসেছে ১৩ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকারও বেশি। দফতরের দাবি, এই নয়া ব্যবস্থার ফলে আইনি জটিলতা যেমন কমেছে, তেমনই থানার চত্বরে পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ।

Sponsored

Sranchi In Article

২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাজ্যে সংশোধিত আবগারি আইন কার্যকর করা হয়। আগে নিয়ম ছিল, অভিযানে বাজেয়াপ্ত হওয়া গাড়ি নিলাম করতে গেলে আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু সংশোধিত আইনে সেই জটিলতা কাটানো হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের মাধ্যমে গাড়িগুলি সরাসরি আবগারি বিভাগের প্রধানের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং সেখান থেকেই দ্রুত নিলাম সম্পন্ন হচ্ছে।

দফতর সূত্রে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইন সংশোধনের আগে পড়ে থাকা ৩৩১টি পুরনো গাড়ি নিলাম করে আয় হয়েছিল ১০ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা। সেখানে আইন বদলের পর গত দু’মাসে মাত্র ১৪টি গাড়ি নিলাম করেই ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার বেশি আয় হয়েছে। দুই মিলিয়ে মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকার উপরে। মূলত দ্রুত নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় গাড়ির গুণমান বজায় থাকছে, যার ফলে নিলামে ভালো দাম মিলছে বলে আধিকারিকদের মত।

আগে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গাড়িগুলি খোলা আকাশের নীচে পড়ে থাকত। ফলে অনেক দামি গাড়িও রোদ-জলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। বর্তমানে উত্তরবঙ্গে দুটি এবং দক্ষিণবঙ্গে ছ’টি— মোট আটটি আবগারি বিভাগ থেকে এই নিলাম প্রক্রিয়া সরাসরি পরিচালিত হচ্ছে।

আবগারি দফতরের এক পদস্থ কর্তা জানান, ভেজাল মদের কারবারে সাধারণত গাড়িই প্রধান বিনিয়োগ। এই গাড়িগুলি দ্রুত বাজেয়াপ্ত ও নিলাম হওয়ার ফলে অসাধু কারবারিদের আর্থিক কোমর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি, এতে বেআইনি কাজে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার প্রবণতাও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে নিলামের টাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা বজায় রাখছে প্রশাসন। অর্থ দফতরের অনুমোদনে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে বিশেষ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে যেখানে নিলামের অর্থ জমা রাখা হচ্ছে। যদি মামলার শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তবে ওই অর্থ তাঁকে ফেরত দেওয়া হবে। আর দোষী সাব্যস্ত হলে সেই টাকা সরাসরি সরকারি কোষাগারে চলে যাবে।

আরও পড়ুন - ফের অতিরিক্ত কাজের চাপে আত্মহত্যার চেষ্টা BLO-এর

_

 

_

 

_

 

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →