দলত্যাগবিরোধী আইন বা দশম তফসিল অনুযায়ী সদস্যপদ খারিজের নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আরও একমাস সময় চেয়ে চিঠি লিখলেন NCPI সাংসদরা।প্রাথমিকভাবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছিলেন তৃণমূলত্যাগী ও এনসিপিআইতে (NCPI) যোগ দেওয়া সাংসদরা।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ জন দলত্যাগী সাংসদের বিরুদ্ধে সদস্যপদ বাতিলের আবেদন জানিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে পিটিশন দাখিল করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ আজকের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা ছিল বিদ্রোহী সাংসদদের। কিন্তু তাঁরা আরও এক মাস অর্থাৎ চার সপ্তাহ সময় চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর লোকসভার কুড়ি জন সাংসদ দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে নিজেদের NDA এর সমর্থনকারী হিসেবে তুলে ধরেন। দাবি করেন, তাঁরা NCPI দলে আছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার মঙ্গলমিলন বৈঠকেও দেখা যায় তাঁদের। কিন্তু অধিবেশন চলাকালীন বারবার দেখা গেছে যে এই সাংসদরা যে আসনে বসে আছেন সেখানে তৃণমূল সাংসদ হিসেবেই তাঁদের পরিচয় করানো হয়েছে। এরপরই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে 'গদ্দার'দের একাধিকবার নিশানা করা হয়। কেন সাংসদ পদ খারিজ হবেনা, জবাব চেয়ে চিঠি দেন অভিষেক।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর লোকসভার স্পিকারের দফতর থেকে গত ২৫ আগস্ট ওই ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে নোটিস পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছিল।
গোটা বিষয়টি সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যার জন্য আইনি পরামর্শের কারণ দেখিয়ে সাংসদরা স্পিকারের কাছে আরও সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে স্পিকার ওম বিড়লার দফতর সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মঞ্জুর করেছিল। মঙ্গলবার সেই সময়সীমার শেষ হওয়ার মুহূর্তে নতুন করে আরও একমাস সময় চাইলেন সুদীপরা।
















