আজ দেবীপক্ষের তৃতীয়া তিথি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দুর্গাপুজোর করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঠাকুর দেখার ভিড় যে বাড়তে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে মঙ্গলবার থেকেই শহরের রাস্তায় অতিরিক্ত পুলিশ থাকবে। শহরে এবার মোট পুজোর সংখ্যা ২৯৮১, আগের বাড়ি থেকে বেড়েছে ৪০০টি পুজো। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের মতো বেশ কিছু বড় পুজোর উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে এবং যথারীতি ঠাকুর দেখার ভিড় বাড়ছে। এই অবস্থায় দর্শনার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের যাতে যাতায়াতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রেখেছে প্রশাসন। চতুর্থীর বিকেল থেকে পুরোদমে পুলিশ নামছে রাস্তায়।

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর পূর্ব কলকাতায় ৩৩৫, উত্তর কলকাতায় ৩১২, দক্ষিণ কলকাতায় ২৫৮, দক্ষিণ পূর্ব কলকাতায় ২০৮, ইস্ট ডিভিশনে ১৯৩, মধ‌্য কলকাতায় ১২৮টি, বন্দর এলাকায় ১১৬টি পুজো হচ্ছে। সব থেকে বেশি পুজো হচ্ছে যাদবপুর ডিভিশনে (৬৮৫)। বেহালায় পুজোর সংখ্যা ৫৯৮। ভাঙড় ডিভিশনেও ১৪৮টি দুর্গাপুজো হচ্ছে। প্রত্যেকটি বড় পুজো মণ্ডপের কাছে পুলিশ পিকেট বসানো হচ্ছে।বিকেল ৪টে থেকে পুলিশকর্তা ও আধিকারিকরা পুলিশকর্মীদের নিয়ে রাস্তায় নামবেন, সঙ্গে থাকবেন অন্তত ২০ হাজার ভলান্টিয়ার। পুজোর দিনে সকালেও যাঁরা ঠাকুর দেখতে বেরোবেন তাঁদের যাতে সমস‌্যায় না পড়তে হয় সেজন‌্য শহরের ২৭টি মণ্ডপে পর্যাপ্ত পুলিশি ব‌্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। 

 পুজোর দিনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দু’দফায় ২০টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, দশটি স্পেশাল রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৩০টি পিসিআর মোবাইল ভ‌্যান টহল দেবে।৬টি জায়গায় থাকছে ট্রাফিক পুলিশ অ‌্যাসিস্ট‌্যান্ট বুথ, ৯ জায়গায় কুইক রেসপন্স টিম যেখানে থাকছে কমব‌্যাট বাহিনী। এছাড়া দর্শনার্থীদের সুবিধার জন‌্য তৈরি থাকছে ১৪টি পুলিশ অ‌্যাম্বুল‌্যান্স ও ১৪টি ট্রমা কেয়ার অ‌্যাম্বুল‌্যান্স। ৩২টি মেট্রো স্টেশনের সামনেও পর্যাপ্ত সংখ‌্যক পুলিশ থাকছে। সব বড় পুজো মণ্ডপের সামনে থাকছে পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র। ৪২ টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে নজরদারি চলবে। কলকাতা পুলিশের তিনটি লঞ্চ ১৫ টি ঘাটে টহল দেবে।