আমেরিকায় (America) পা রেকতে না রাখতেই জনরোষের শিকার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus)। বাংলাদেশে (Bangladesh) তিনি প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন গোটা বিশ্ব দেখেছে যে কীভাবে তিনি দিনের পর দিন ধরে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতি কখনই তিনি শান্ত করার চেষ্টা করেননি বরং আরও ইন্ধন জুগিয়ে গিয়েছেন। এবার আমেরিকায় তাঁকে দেখেই রে রে করে উঠলেন বহুমানুষ। উঠল 'গো ব্যাক' স্লোগান। ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ইউনুস।

আরও পড়ুন: একাধিক দেশকে হুমকি দিয়ে নিজেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে 'গলাবাজি' ট্রাম্পের!

মঙ্গলবার সকাল থেকেই সমাজমাধ্যম ছেয়ে গিয়েছে জেএফ কেনেডি বিমানবন্দরে (John F Kennedy (JFK) International Airport) স্বৈরাচারী ইউনূসকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ভিডিয়োয়। বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন করছেন, 'হোয়াই ইউ কাম হিয়ার?' একাধিকের গলায় শোনা গিয়েছে, 'ইউ আর আ টেররিস্ট! ইউ আর আ থিফ!' অন্য একজন বলেন, 'বাংলাদেশে হাজারেরও বেশি পুলিশ হত্যা করে এখন আমেরিকায় কী করতে?' আরেকটি কণ্ঠে শোনা যায়, 'বাংলাদেশকে ধ্বংসের মুখে দাঁড় করিয়ে এখন আমেরিকায়?' একটা সময়ে ইউনূসের অভিব্যক্তিতে বিরক্তি ও হতাশা ফুটে ওঠে। সেই সময়ে তাঁর সঙ্গীদের দেখা যায়, দ্রুত তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

সেই ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি (বিশ্ববাংলা সংবাদ) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এক বাংলাদেশি নেটিজেনকে বলছেন,'যেমন কর্ম, তেমন ফল।' অপর একজন বলেন, 'কর্মফল খুবই ভয়ানক।' এক নেটিজেন আবার বলেছেন, 'মবের জনক যখন নিজেই আক্রান্ত।'

আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমে স্বস্তি, স্থগিত ২ হাজার টাকার বেশি UPI লেনদেনে মাশুল

২০২৪ সালের অগাস্টে গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের (Hasina Government) পতনের পর মাস খানেকের পরই বিদেশ থেকে উড়ে এসে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। তাঁর আমলেই বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন সবচেয়ে বেশি হয় বলে অভিযোগ। তা নিয়ে শোরগোল পড়েছিল আন্তর্জাতিক মহলেও। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান সরকার আসার পর ইউনুসের পদ খোয়া যায়। তিনি এতদিন দেশেই ছিলেন। এই প্রথম গেলেন বিদেশ সফরে। আর আমেরিকায় পা রাখতেই জনবিক্ষোভের মুখে পড়তে হল তাঁকে। এই জনতার তাঁর দেশেরই।