দেশের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে মোদি বিরোধিতা, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে যেভাবে ভারতের তরুণ প্রজন্মের বিরুদ্ধে অলিখিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মোদি- শাহের সরকার তার নিন্দায় সরব বিশ্বের একাধিক দেশ। ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তর ২.০ কর্মসূচিতে ঘিরে যেভাবে ভারতীয় তরুণ ও শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, অনৈতিক ও নিয়ম বিরুদ্ধ ভাবে ককরোচ জনতা পার্টির নেতাকর্মী সমর্থকদের আটক করা হয়েছে তাতে ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি যে আসলে এই প্রজন্মের আন্দোলনকে ভয় পাচ্ছে তা বেশ স্পষ্ট। বার্লিনের বিদেশি পড়ুয়া থেকে প্রবাসী ভারতীয়রা রাস্তায় নেমে জাতীয় পতাকা হাতে সিজেপিকে সমর্থন জানিয়েছে তাতে আতঙ্ক বাড়ছে নয়াদিল্লিতে। অর্থাৎ নিজেকে 'বিশ্বগুরু' বলে দাবি করা নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতায় যে এবার বিশ্বের সব দেশেই ক্ষোভ দানা পাচ্ছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ৭, লোক কল্যাণ মার্গ।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমে প্রতিবাদের পথে হেটেছে ককরোচ জনতা পার্টি। বিভিন্ন বাম শাখা সংগঠন ছাড়াও বিজেপি বিরোধী সব দল SIR বিরোধিতায় সরব। যেভাবে জ্ঞানেশকে আগলে রাখছেন মোদি- শাহরা তার থেকে এটা স্পষ্ট যে রাজার প্রাণ লুকিয়ে আছে তোতা পাখির মতোই, এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিজেপি। সারাক্ষণ বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও দাবি করা বিজেপি সরকারের নির্দেশের দিল্লি পুলিশ যে নির্মমভাবে রাজধানীর রাজপথ থেকে টেনে হিজড়ে কার্যত বিভস্ত অবস্থায় মহিলাদের আটক করেছে তার চরম নিন্দা করেছেন বিদেশিরাও। যেভাবে আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়েছে তার প্রতিবাদ করে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। এবার বার্লিনে প্রবাসীরা মোদিকে কটাক্ষ করে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে ভারতের তরুণ প্রজন্মের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, 'ভৌগোলিক সীমানা কখনই তাঁদের সমর্থনকে স্তব্ধ করতে পারবে না এবং কোন ভয়ই ক্ষমতার সামনে সত্য তুলে ধরা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।
এদিন লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়ারে ভারতীয় তরুণ ও শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের লড়াইকে সমর্থন জানানোর কথা বলেছেন গ্রেটা থুনবার্গ। যেভাবে সংবিধান মেনে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর আক্রমণ হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ভারতের তরুণ প্রজন্ম জনগণের আন্দোলনের শক্তি বুঝিয়ে দিয়েছে শাসককে। গ্রেটা জানিয়েছেন তিনি সম্পূর্ণরূপে জেন জি-দের এই আন্দোলনের পাশে রয়েছেন।















