ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে ১০ অক্টোবর 'দিল্লি চলো' কর্মসূচিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সহ কয়েক হাজার আটকের পর রবিবারের পথে নামার ডাক দিয়েছে আরশোলারা। সেই মতো সকাল দশটায় যন্তর মন্তর ২.০ কর্মসূচি সফল করতে ছাত্র যুবরা রাস্তায় নামতেই শনিবারের মতোই অতি সক্রিয় দিল্লি পুলিশ। বন্ধ একাধিক মেট্রো স্টেশন, শুরু হয়েছে ধরপাকড়।
সিজেপি আগেই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। তাই অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কাদের আটক করার পরেও হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছেন। প্রতিবাদ করেছে বাম সংগঠনও।বিজেপি বিরোধী রাজনীতিকরাও আটক হয়েছেন। এরপর রাতে ককরোচদের তরফে অজিঙ্ক সিন্ধে জনান, ' সরকার হয়তো ভেবেছিল, আটক করার পর আমরা বাড়ি ফিরে যাব। কিন্তু মোদি এবং শাহের এই ভয়ই প্রমাণ করে যে লড়াইয়ের অর্ধেক আমরা জিতে গিয়েছি।' তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানো না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন যন্তর মন্তরে মিছিল হবে। ' এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য জানান, রবিবার থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রদের প্রতিবাদ কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়বে। সকালে অভিজিতদের ছেড়ে দেওয়া হলেও নিজেদের গাভী থেকে এতটুকু সরেনি CJP, তাহলে আজও যন্তর মন্তরে ব্যারিকেড করা হয়েছে। প্রতিবাদীরা যাতে আসতে না পারেন সেই কারণে রাজধানী গুরুত্বপূর্ণ রাজীব চক মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু তাতেও আটকানো যাচ্ছে না জেন-জিকে।
রবিবার সকাল থেকে রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের সামনে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়। সকাল ১১ টা নাগাদ বড় সংখ্যায় জমায়েতকারীরা মিছিল করে আসতেই ধর পাকড় শুরু করে পুলিশ। যন্তর মন্তরের অদূরে দিল্লির কনট প্লেসে CJP ও AISA সমর্থকদের মিছিল আসতেই পুলিশের দমন পীড়ন শুরু হয়। এরপরই টেনে হিঁচড়ে বিক্ষোভকারীদের প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এখনও পর্যন্ত উত্তেজনার পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।















