যন্তর মন্তর ২.০ শুরু হওয়ার আগেই ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতা-কর্মী, সমর্থক, আহ্বায়কদের আটক করতে শুরু করেছে পুলিশ। যেহেতু সিজেপির (CJP ) 'দিল্লি চলো' কর্মসূচির অনুমতি নেই সেই কারণে বিমানবন্দরে নামলেই আটক কিংবা গ্রেফতার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে অভিজিৎ দিপকে (Abhijeet Dipke), সৌরভ দাস (Saurav Das), আশুতোষ রাঙ্কাদের (Ashutosh Ranka)। শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে (Dhruv Rathee)। বেঙ্গালুরুর পর সিজেপির দিল্লি কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেওয়ার কথা জানাতেই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ পুলিশের।

দিল্লি জুড়ে আজ পুলিশের অতি সক্রিয়তা, আকাশ পথে চলছে ড্রোন নজরদারি। যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই কয়েক হাজার সিজেপির সমর্থক আটক। বাদ পড়েননি কনটেন্ট ক্রিয়েটরাও। ইউটিউব আর ধ্রুবের আটক হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সিজেপি অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, ‘‘ধ্রুব রাঠী আটক। একনায়ক সেই সমস্ত তরুণ-তরুণীকে দেখে আতঙ্কিত, যারা তাঁর অপকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এবং চুপ করে বসে থাকতে চাইছে না।’’মুম্বই থেকে দিল্লির উদ্দেশে সকালে রওনা দিয়েছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা তথা আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপকে। রাতেই তিনি জানিয়েছিলেন যে হয়তো দিল্লিতে পৌঁছলেই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে। সম্ভবত সেই আশঙ্কায় সত্যি হতে চলেছে কারণ পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে যন্তর মন্তরে যেতে বারণ করা হবে অভিজিতদের। তাঁরা কথা না শুনলে বিমানবন্দরেই আটক করা হবে। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা আগেই জানিয়েছেন, 'তাঁরা শান্তিপূর্ণ জমায়েত ও আন্দোলন করতে চান। কিন্তু যেভাবে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে স্কুল কলেজ বন্ধ রেখে অত্যাধিক পুলিশ সেনা মোতায়ন করা হয়েছে রাজধানীতে তাতে এটা স্পষ্ট যে ক্ষমতাসীন সরকার তরুণ প্রজন্মের কর্মসূচিকে ভয় পেয়েছে।' 

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকালের মধ্যে অন্তত এক হাজার জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। বাদ পড়েননি মিডিয়াকর্মীরাও। এদিন সকালেও যে সমস্ত ইউটিউবার কিংবা সাংবাদিকরা যন্তর মন্তরে পৌঁছতে চাইছেন তাঁদেরও আটক করা হচ্ছে। ৪০ হাজারের বেশি পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষী দিল্লিতে মোতায়েন করা হয়েছে শুধু শনিবারের জন্য। এছাড়া কেন্দ্রীয় আধাসেনা বাহিনীর জওয়ানেরা তো রয়েইছেন। বেলা বারোটা থেকে সিজেপির কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা। এখন দেখার আদৌ ককরোচ নেতৃত্ব সেখানে পৌঁছাতে পারে কিনা।