একদিকে ভোট চুরি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) অপসারণের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরেক দিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় উপনির্বাচনে বিজেপি জেতায় আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। উপনির্বাচনেও (Bye Election) ভোট চুরি করেই জিতেছে ভারতীয় জনতা পার্টি, এই কথাই তো বিরোধীদের মুখে মুখে ঘুরে বেরাচ্ছে।
আরও পড়ুন: তারিখ পে তারিখ! NCPI-এর সাংসদদের ফের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিলেন লোকসভার স্পিকার
এরমধ্যে অসমের নগাঁও লোকসভা এবং পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগর (Rejinagar) ও নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির জয়লাভের জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন মোদি। শুক্রবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন," জনগণের অব্যাহত আশীর্বাদের জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই! নগাঁও (অসম) লোকসভা কেন্দ্র এবং নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর (পশ্চিমবঙ্গ) বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল আবারও প্রমাণ করে যে, বিজেপি-এনডিএ-র সুশাসনের কর্মসূচির সঙ্গে জনগণের এক গভীর ও নিবিড় সংযোগ রয়েছে।"
নিরবচ্ছিন্ন আশীর্বাদের জন্য জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা! অসমের নগাঁও লোকসভা কেন্দ্র এবং পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল আবারও প্রমাণ করেছে যে বিজেপি-এনডিএ-র সুশাসন কর্মসূচির সঙ্গে জনগণের গভীর সংযোগ রয়েছে। বিজয়ী বিজেপি প্রার্থীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং আমাদের দলের নিষ্ঠাবান কার্যকর্তাদের কঠোর পরিশ্রমেরও ভূয়সী প্রশংসা করি। পুদুচেরির থাট্টানচাভাডি কেন্দ্রে জয়ের জন্য এনডিএ-র মূল্যবান সহযোগী দল এআইএনআরসি-কেও জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করা এবং তাঁদের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে এই জনাদেশ আমাদের আরও শক্তি জোগাবে। @BJP4Assam @BJP4Bengal
— Narendra Modi (@narendramodi) October 9, 2026
প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন,"আমি বিজয়ী বিজেপি প্রার্থীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং আমাদের দলের কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমের ভূয়সী প্রশংসা করছি। পুদুচেরির থাট্টানচাভাদি কেন্দ্রে জয়ের জন্য আমি আমাদের মূল্যবান এনডিএ শরিক দল এআইএনআরসি-কেও অভিনন্দন জানাচ্ছি। জনগণের কল্যাণে এবং তাঁদের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমরা যখন নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছি, তখন এই জনরায় আমাদের আরও শক্তি জোগাবে।"
আরও পড়ুন: ভোট চুরির অভিযোগ ওড়ালেন না রাষ্ট্রপতিও! বৈঠকের পর একসঙ্গে বললেন মমতা-রাহুলরা
নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেসের মিলন প্রধান। তাঁর ঝুলিতে ৪১ হাজার ৬৭৪ ভোট। বাকি প্রার্থীরা অনেকটাই পিছিয়ে। রাজ্যে পালাবদলের পর ফলতার পুনর্নিবাচনে জয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে নন্দীগ্রাম। ফলতায় ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জিতেছিল বিজেপি। আর নন্দীগ্রামে বিজেপি জিতল ১ লক্ষ ২২ হাজার ৭৫৩ ভোটে। রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার জিতেছেন ৭০ হাজারেরও বেশি ভোটে। যা এ রাজ্যের নির্বাচনী সমীকরণের পটভূমি পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।















