বহরমপুরের ভোটার হয়েও রেজিনগরের (Rejinagar) বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার (shankharavh sarkar) কীভাবে সেখানে এই ধরণের ভূমিকা পালন করলেন, এই নিয়েই প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। 

আরও পড়ুন: ভোট চুরির অভিযোগ ওড়ালেন না রাষ্ট্রপতিও! বৈঠকের পর একসঙ্গে বললেন মমতা-রাহুলরা

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও পোস্ট করে কমিশনের (Election Commission of India) ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এবার  বিজেপিকে কীভাবে আড়াল করবে নির্বাচন কমিশন। 
রেজিনগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী আদতে বহরমপুর এলাকার নথিভুক্ত ভোটার। একজন বহরমপুরের ভোটার কীভাবে অন্য একটি বিধানসভা কেন্দ্রে  গিয়ে সশরীরে ভোটদান করতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

আদর্শ আচরণবিধি এবং কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ধরনের গুরুতর জালিয়াতি কমিশনের নজর এড়িয়ে গেল? বিজেপি প্রার্থীর এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্রের প্রহসন ছাড়া আর কী? কমিশন কি তবে জেনেবুঝেও চোখ বন্ধ করে রেখেছে, নাকি শাসকদলের বিরোধী শিবিরের এই বেআইনি কাজে তাদের পরোক্ষ মদত রয়েছে?এই ভিডিও সামনে আসার পর রেজিনগরের ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়ল। বিরোধীদের একাংশের বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার যে অভিযোগ বারবার তৃণমূল করে আসছে, এই ঘটনা যেন তাকেই আরও একবার উসকে দিল।

আরও পড়ুন: ‘রক্তের রঙে নেই ভেদাভেদ’, ক্রান্তিবীরের প্রয়াণে কাঁদছে পাকিস্তানও!

ভোটের দিন সকাল থেকেই রেজিনগরের বিভিন্ন বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ‘ধমক’ দেওয়া থেকে শুরু করে বুথে বুথে ঘোরার অভিযোগ উঠেছে পদ্ম-প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জেলা কংগ্রেসের তরফেও নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলা হয়েছে।