মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড়। বৃহস্পতিবার সকালে ইন্ডিয়া ব্লকের (I.N.D.I.A) লোকভবন অভিযান ঘিরে উত্তেজনা বিহারের পাটনায়। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের (Tejashwi Yadav) নেতৃত্বে শুরু হয় ‘আক্রোশ মার্চ’। রাজভবনের দিকে এগোতেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। ব্যারিকেডের উপরে উঠে পড়েন তেজস্বী। পুলিশ বাধা দিতে গেলে তীব্র বচসা শুরু হয়। এরপর লালুপুত্রসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে পুলিশ। 

নির্বাচনে কারচুপি করে জ্ঞানেশ যেভাবে বিজেপিকে বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করেছে তার বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা। দিল্লিতে I.N.D.I.A -র বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তেজস্বী। তাঁর দাবি, একদিকে যখন রাজধানীতে বিক্ষোভ প্রতিবাদ চলছে তার পাশাপাশি দেশের প্রায় সব রাজ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সরব আম জনতা থেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এদিন সকালে তেজস্বীর নেতৃত্বে শুরু হয় ‘আক্রোশ মার্চ’।রাজভবন অভিযানের আগে বিধানসভা গোলম্বর এলাকায় পৌঁছে সেখান থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান RJD নেতা। নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন তেজস্বী। জ্ঞানেশের পদত্যাগের পাশাপাশি বিহারে ফের নির্বাচন করার দাবিও ওঠে। এরপরই পুলিশ তাঁদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। লালু-পুত্রের পাশাপাশি মিট্টি ভারতী ও মুকেশ সাহানিদেরও আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কোন দলে আছেন? জানাতে আরও ১৪ দিন সময় চেয়ে স্পিকারকে চিঠি NCPI-তে সাংসদদের

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে তীব্র হচ্ছে জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি।বুধবার থেকেই বিহারজুড়ে ‘জ্ঞানেশ হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানে আন্দোলন শুরু করেছিল বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লক। রাজ্যের ৫৩৪টি ব্লকে বিক্ষোভ এবং কুশপুতুল পোড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। এরপর বৃহস্পতিবার জেলা সদরেও বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি রাজভবন অভিযানের ডাকও দেওয়া হয়।