যতদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ততদিন বিধানসভায় যাবেন না। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে জানিয়েছেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun kabir)। একইসঙ্গে জানিয়েছেন তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান।

আরও পড়ুন: ত্রুটিপূর্ণ এসআইআর বাতিলের দাবি লাভাসার! সুপ্রিম ভূমিকার সমালোচনা অধ্যাপক অপূর্বনন্দের

মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচনের (Rejinagar By Election) দিন সকালেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন হুমায়ুন। তাঁকে কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায় পুলিশ। তবে সন্ধের দিকে ছাড়া পান। বুধবার সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, "যে গণতান্ত্রিক কাঠামোয় বিনা কারণে একজন সাব-ইনস্পেক্টর পদে থাকা পুলিশ নির্বাচিত বিধায়ককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখতে পারে, সেই গণতন্ত্রকে আমি ঘৃণা করি। এই পুলিশমন্ত্রীকেও আমি এড়িয়ে চলব।"

হুমায়ুনের ছেড়ে দেওয়া রেজিনগর আসনে উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী পুত্র গোলাম নবি আজাদ।  হুমায়ুন জানান, রেজিনগরে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপি। তবে এটা জনমত নয়। রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনকে দিয়ে ভোট চুরি করেছে শাসকদল। 

চোখের জল ফেলতে ফেলতে হুমায়ুন জানান, "রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসর নেব। এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না।" তবে প্রতিশ্রুতিমাফিক মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তিনি বানাবেনই বলে জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী 'কথা দিয়েছিলেন' অন্তত ৩০ হাজার ভোটে জিতবেন তাঁর পুত্র। কিন্তু 'মুখ্যমন্ত্রী কথা রাখেনননি'।

আরও পড়ুন: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে: তীব্র সমালোচনা তৃণমূলের, জরুরি অধিবেশনের দাবি বিধায়ক কুণালের

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে হুমায়ুন বলেন, "শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর অধীনস্থ পুলিশ যেভাবে গত দু'মাস ধরে রেজিনগরবাসীর ওপর অত্যাচার করে গেল, তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শুভেন্দু অধিকারীর মতো পুলিশমন্ত্রীর দয়াতে হুমায়ুন কবীর রাজনীতি করবেন না।"