বিজেপি বাংলার নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি জবরদখল করে নিয়েছে! পুলিশ সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দিচ্ছে; অথচ অভিযোগ রয়েছে যে, পুলিশের চোখের সামনেই দিনের আলোয় অন্যের হয়ে ভোট দেওয়া হচ্ছে।  এই নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

আরও পড়ুন: এক ভুলেই সাফ ৫০ লক্ষ! ভিডিও কলে নগ্ন নারীর আড়ালে সাইবার ফাঁদ

তৃণমূল (TMC) জানিয়েছে,"বিজেপি প্রশাসন বাংলার নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি জবরদখল করে নিয়েছে!
রেজিনগরের এক স্থানীয় বাসিন্দা একটি উদ্বেগজনক ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দিচ্ছে; অথচ অভিযোগ রয়েছে যে, পুলিশের চোখের সামনেই দিনের আলোয় অন্যের হয়ে ভোট দেওয়া হচ্ছে।
শুভেন্দু অধিকারী, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত।
বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার পরিবর্তে, আপনি রাজ্যটিকে এক চরম অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।"

অভিষেক বলেন,"এটা তো কেবলই উপনির্বাচন'-তারা এমনটাই বলেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরিসর বা গুরুত্বের ওপর একটি ভোটের পবিত্রতা নির্ভর করবে-এমনটা কবে থেকে হল?
পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে 'ভোট চুরি'র ঘটনা ঘটানো হয়, এই ভিডিওটি তার এক প্রকট উদাহরণ। 'প্ল্যান এ' হল এসআইআর (SIR); আর 'প্ল্যান বি' হল সেটাই, যা এই ভিডিওতে ফাঁস হয়েছে।"

 

মঙ্গলবার  রাজ্যে দুই কেন্দ্র-নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবং রেজিনগরে (Rejinagar) উপনির্বাচন ছিল। সকাল থেকেই তৃণমূলের অভিযোগ, উপনির্বাচনের নামে যা হল তা গণতন্ত্রকে হত্যা-করা। দলদাস পুলিশকে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হল না। বুথের পর বুথে ফলস ভোটের তাণ্ডব চলল। পুলিশ দিয়ে ভোট লুঠ করা হল। এটা ঘটনা, ভোটের দিন অতিসক্রিয় হতে দেখা গেল পুলিশকে।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে আশুতোষ কলেজে ছাত্র বিক্ষোভে অশান্তি

নন্দীগ্রামেও ভোট লুঠের চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। নেত্রী-সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান ভোট লুঠের কথা বলেছেন। বুথে তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে ভোট করিয়েছে। কংগ্রেস কর্মীদের ভোট দিতে বাধা দিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি জানিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই হয়েছে রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামে।